ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হত্যার হুমকির কারণে আত্মগোপনে রুমি, মাদ্রাসায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:৪০:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৮ Time View

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদ্রাসায় নিজের কন্যাশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পর শাহজালাল রুমি স্ত্রী ও সন্তানসহ আত্মগোপনে রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মুঠোফোনে বিভিন্ন নম্বর থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগে তিনি এলাকা ছেড়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন ভবনটির কেয়ারটেকার। তবে বর্তমানে তিনি কোথায় অবস্থান করছেন, তা জানা যায়নি।

কেয়ারটেকার হাবিবুর রহমান জানান, রুমি মাদ্রাসার ঘটনার পর থেকেই হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করছিলেন এবং গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কায় ছিলেন। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তিনি বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। রোববার (২৫ অক্টোবর) রুমির বাসায় গিয়ে দরজায় তালা দেখা যায়।

রুমি পেশায় একজন ফেব্রিক ব্যবসায়ী এবং বডি বিল্ডিংয়ের সঙ্গেও যুক্ত। তিনি ঢাকায় ব্যবসার সুবাদে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ বাবার ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। তার এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে, মেয়ের বয়স আট বছর এবং ছেলের বয়স চার বছর।

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। একটি মামলা করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং অন্যটি করেছেন রুমি। টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন জানান, দুটি মামলাই গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করা হচ্ছে।

ঘটনার পর থেকে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা এবং রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সাংবাদিকেরা ঘটনার প্রকৃত তথ্য ও তদন্তের অগ্রগতি জানতে সেখানে যাচ্ছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়েটে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরার ঘোষণা, আন্দোলন অব্যাহত থাকবে

হত্যার হুমকির কারণে আত্মগোপনে রুমি, মাদ্রাসায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

আপলোড সময় : ১২:৪০:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মাদ্রাসায় নিজের কন্যাশিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের পর শাহজালাল রুমি স্ত্রী ও সন্তানসহ আত্মগোপনে রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মুঠোফোনে বিভিন্ন নম্বর থেকে হত্যার হুমকি পাওয়ার অভিযোগে তিনি এলাকা ছেড়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন ভবনটির কেয়ারটেকার। তবে বর্তমানে তিনি কোথায় অবস্থান করছেন, তা জানা যায়নি।

কেয়ারটেকার হাবিবুর রহমান জানান, রুমি মাদ্রাসার ঘটনার পর থেকেই হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করছিলেন এবং গ্রেপ্তার হওয়ার আশঙ্কায় ছিলেন। নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তিনি বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। রোববার (২৫ অক্টোবর) রুমির বাসায় গিয়ে দরজায় তালা দেখা যায়।

রুমি পেশায় একজন ফেব্রিক ব্যবসায়ী এবং বডি বিল্ডিংয়ের সঙ্গেও যুক্ত। তিনি ঢাকায় ব্যবসার সুবাদে স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ বাবার ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। তার এক মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে, মেয়ের বয়স আট বছর এবং ছেলের বয়স চার বছর।

মাদ্রাসার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। একটি মামলা করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ এবং অন্যটি করেছেন রুমি। টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসেন জানান, দুটি মামলাই গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করা হচ্ছে।

ঘটনার পর থেকে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা এবং রুমির বাসায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সাংবাদিকেরা ঘটনার প্রকৃত তথ্য ও তদন্তের অগ্রগতি জানতে সেখানে যাচ্ছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন