ঢাকা ০৪:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেত্রকোনার সাংবাদিক আলিফ হত্যায় পাঁচজনের জড়িত থাকার তথ্য প্রকাশ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ২০১ Time View

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ হত্যায় পাঁচজন সরাসরি অংশ নিয়েছেন। হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে তাজুল ইসলামকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুই আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।

রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে দুর্গাপুর চৌকি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন গ্রেপ্তার ইমরান ইসলাম ওরফে ইমন (২৪) এবং সাব্বির আহম্মেদ (২৫)। আদালত তাদের জবানবন্দি গ্রহণের পর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, আলিফের সঙ্গে তাজুলের পূর্বে বিরোধ ছিল। আলিফ সীমান্ত এলাকায় তাজুলের কর্মকাণ্ড নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতেন, যা তাজুলের ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

হত্যাকাণ্ডের সময় তাজুল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং হত্যায় অংশ নেওয়া পাঁচজনের মধ্যে তিনি একজন। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যায় জড়িত অন্যদের নাম তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করা হয়নি।

নিহত আলিফের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা জানিয়েছেন, তার স্বামী হত্যার পর তিনি আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। তবে, এমপি কায়সার কামালের উদ্যোগে তার চাকরির ব্যবস্থা হয়েছে। তিনি দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরে ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা: এমপি আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুর ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

নেত্রকোনার সাংবাদিক আলিফ হত্যায় পাঁচজনের জড়িত থাকার তথ্য প্রকাশ

আপলোড সময় : ১২:৫৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ হত্যায় পাঁচজন সরাসরি অংশ নিয়েছেন। হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে তাজুল ইসলামকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুই আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।

রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে দুর্গাপুর চৌকি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন গ্রেপ্তার ইমরান ইসলাম ওরফে ইমন (২৪) এবং সাব্বির আহম্মেদ (২৫)। আদালত তাদের জবানবন্দি গ্রহণের পর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, আলিফের সঙ্গে তাজুলের পূর্বে বিরোধ ছিল। আলিফ সীমান্ত এলাকায় তাজুলের কর্মকাণ্ড নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতেন, যা তাজুলের ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

হত্যাকাণ্ডের সময় তাজুল ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং হত্যায় অংশ নেওয়া পাঁচজনের মধ্যে তিনি একজন। পুলিশ জানিয়েছে, হত্যায় জড়িত অন্যদের নাম তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করা হয়নি।

নিহত আলিফের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা জানিয়েছেন, তার স্বামী হত্যার পর তিনি আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। তবে, এমপি কায়সার কামালের উদ্যোগে তার চাকরির ব্যবস্থা হয়েছে। তিনি দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন