ঢাকা ০৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫২ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন শেফালী বেগম

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ২০৮ Time View

শেফালী বেগম, ৫২ বছর বয়সে, নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার কালীগঞ্জ নক্তপাড়া গ্রামে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৪.২১ পেয়ে সাফল্য অর্জন করেছেন। তার এই অর্জন পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি করেছে।

শৈশবে বাবাকে হারানোর পর শেফালীর পড়াশোনা থেমে যায়। পরিবারের আর্থিক সংকট ও সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে তাকে নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিতে হয়। ১৯৮৫ সালে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তার বিয়ে হয় এবং এরপর আর পড়াশোনা করা হয়নি।

দীর্ঘ সময় পর, ৪৮ বছর বয়সে স্বামী ও তিন সন্তানের অনুপ্রেরণায় আবারও পড়াশোনা শুরু করেন শেফালী। ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৪.২৯ পেয়ে পাস করার পর ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৪.২১ পেয়ে সফল হন।

শেফালীর স্বামী মকছেদুল আলম মঞ্জু বলেন, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন পরিবারের কথা ভেবে নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়েছেন। তবে এখন তিনি সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে আনন্দিত। গোমনাতি টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ দিলীপ রায় বলেন, শেফালীর সাফল্য প্রমাণ করে যে শিক্ষার জন্য বয়স কোনো বাধা নয়।

শেফালী বেগমের এই অর্জন শিক্ষার প্রতি তার অঙ্গীকার এবং প্রতিকূলতার মাঝেও স্বপ্ন পূরণের উদাহরণ হয়ে থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

২৪ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা শুরু: স্পিকার

৫২ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করলেন শেফালী বেগম

আপলোড সময় : ০৩:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

শেফালী বেগম, ৫২ বছর বয়সে, নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার কালীগঞ্জ নক্তপাড়া গ্রামে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৪.২১ পেয়ে সাফল্য অর্জন করেছেন। তার এই অর্জন পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি করেছে।

শৈশবে বাবাকে হারানোর পর শেফালীর পড়াশোনা থেমে যায়। পরিবারের আর্থিক সংকট ও সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে তাকে নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিতে হয়। ১৯৮৫ সালে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তার বিয়ে হয় এবং এরপর আর পড়াশোনা করা হয়নি।

দীর্ঘ সময় পর, ৪৮ বছর বয়সে স্বামী ও তিন সন্তানের অনুপ্রেরণায় আবারও পড়াশোনা শুরু করেন শেফালী। ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৪.২৯ পেয়ে পাস করার পর ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ ৪.২১ পেয়ে সফল হন।

শেফালীর স্বামী মকছেদুল আলম মঞ্জু বলেন, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন পরিবারের কথা ভেবে নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিয়েছেন। তবে এখন তিনি সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পেরে আনন্দিত। গোমনাতি টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ দিলীপ রায় বলেন, শেফালীর সাফল্য প্রমাণ করে যে শিক্ষার জন্য বয়স কোনো বাধা নয়।

শেফালী বেগমের এই অর্জন শিক্ষার প্রতি তার অঙ্গীকার এবং প্রতিকূলতার মাঝেও স্বপ্ন পূরণের উদাহরণ হয়ে থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন