ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লেবার পার্টির দাবি, রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণ করা হোক

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৫:১৫:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • ২০৯ Time View

দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর সচিব রাশেদ খাঁনকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।

ডা. ইরান বলেন, এই ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভিন্নমত প্রকাশের অধিকারের প্রতি চরম অবজ্ঞা। তিনি অভিযোগ করেন, এটি সরকারের সমালোচনামূলক সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ মানসিকতার প্রকাশ।

আজ রোববার (১ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, রাশেদ খাঁনের কর্মকাণ্ড বিচ্ছিন্ন নয়, বরং এটি ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার অংশ।

ডা. ইরান আরও বলেন, রাশেদ খাঁন প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্রয়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। তিনি উল্লেখ করেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য এটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত।

তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রীকে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি গণমাধ্যমের স্বাধীনতাবিরোধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা নন এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাশেদ খানের হাতে ‘আমার দেশ’ পত্রিকা ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ নাসীরুদ্দীনের

লেবার পার্টির দাবি, রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অপসারণ করা হোক

আপলোড সময় : ০৫:১৫:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর সচিব রাশেদ খাঁনকে অবিলম্বে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।

ডা. ইরান বলেন, এই ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভিন্নমত প্রকাশের অধিকারের প্রতি চরম অবজ্ঞা। তিনি অভিযোগ করেন, এটি সরকারের সমালোচনামূলক সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ মানসিকতার প্রকাশ।

আজ রোববার (১ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, রাশেদ খাঁনের কর্মকাণ্ড বিচ্ছিন্ন নয়, বরং এটি ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ার অংশ।

ডা. ইরান আরও বলেন, রাশেদ খাঁন প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্রয়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। তিনি উল্লেখ করেন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য এটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত।

তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রীকে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি গণমাধ্যমের স্বাধীনতাবিরোধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা নন এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন