কেয়ামতের দিন মানুষকে চরম পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। সেদিন সূর্য মানুষের মাথার কাছাকাছি অবস্থানে থাকবে এবং এর তাপে পরিবেশ এক দুঃসহ অবস্থায় রূপ নেবে। তবে মহান আল্লাহর বিশেষ কুদরতে সেদিন কারো মৃত্যু হবে না।
এমন সংকটময় দিনে আল্লাহ তাআলা বিশেষ সাত শ্রেণির মানুষকে তার আরশের নিচে আশ্রয় দেবেন। ইসলামী স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ তার সাম্প্রতিক আলোচনায় এই সৌভাগ্যবানদের পরিচয় তুলে ধরেছেন।
প্রথম শ্রেণিতে রয়েছেন ন্যায়পরায়ণ শাসক, যিনি শাসনকাজে জুলুম করেননি। দ্বিতীয় শ্রেণি হলেন সেই যুবক, যিনি তার যৌবনকালকে আল্লাহর ইবাদতে অতিবাহিত করেছেন। তৃতীয় শ্রেণির মানুষ হলেন, যাদের অন্তর সবসময় মসজিদের সাথে যুক্ত থাকে।
চতুর্থ শ্রেণিতে রয়েছেন আল্লাহর ওয়াস্তে পরস্পরকে ভালোবাসাকারী দুজন ব্যক্তি। পঞ্চম শ্রেণির মানুষ হলেন, যিনি অনৈতিকতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। ষষ্ঠ শ্রেণিতে রয়েছেন দানশীল ব্যক্তি, যিনি গোপনে দান করেন।
সপ্তম শ্রেণির মানুষ হলেন সেই সাধক, যিনি একাকী আল্লাহকে স্মরণ করেন এবং আল্লাহর ভয়ে অশ্রুপাত করেন। এই সাত শ্রেণির মানুষ কেয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের ছায়ায় আশ্রয় পাবেন।
অনলাইন ডেক্স 

























