ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়েতে তিনবার ‘কবুল’ বলার বিধান কি শরিয়তে আছে?

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:০১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৪ Time View

ইসলামী শরিয়তে বিয়ের প্রক্রিয়ায় ইজাব ও কবুলের গুরুত্ব রয়েছে। তবে অনেক এলাকায় প্রচলিত আছে যে, পাত্রকে বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণের সময় তিনবার ‘কবুল’ বলতে হবে, অন্যথায় বিয়ে শুদ্ধ হবে না।

ঢাকা থেকে প্রকাশিত ইসলামি গবেষণা পত্রিকা মাসিক আল কাউসারে বলা হয়েছে, তিনবার কবুল বলার বিষয়টি শরিয়তের বিধান নয়, বরং এটি একটি সামাজিক রীতি। পত্রিকাটি উল্লেখ করেছে যে, এ ধরনের মনগড়া রীতির কারণে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

শরিয়তের দৃষ্টিতে, বিয়ের প্রস্তাবের পর সাক্ষীদের সামনে একবার ‘কবুল’ বললেই বিবাহ সম্পন্ন হয়ে যায়। তিনবার কবুল বলা আবশ্যক নয়। এ বিষয়ে ফাতাওয়ায়ে শামি ও ফাতাওয়ায়ে আলমগিরির উল্লেখ রয়েছে।

হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেছেন, বিয়ের জন্য নির্দিষ্ট কোনো তারিখ বা মাস নির্ধারণ করা হয়নি; বরং সামর্থ্য থাকলে দেরি না করে বিয়ে করা উচিত।

বর্তমান সময়ে ভালো পাত্র-পাত্রী নির্বাচন একটি জটিল কাজ। তাই বিয়ের আগে পাত্রী দেখে নেওয়া এবং ভালোভাবে খোঁজ নেওয়া নবীজির (সা.) সুন্নত। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে বলা হয়েছে, বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার সময় নারীর কিছু বৈশিষ্ট্য দেখা উচিত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার প্রায় ১৪ হাজার প্রবাসী

বিয়েতে তিনবার ‘কবুল’ বলার বিধান কি শরিয়তে আছে?

আপলোড সময় : ১২:০১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

ইসলামী শরিয়তে বিয়ের প্রক্রিয়ায় ইজাব ও কবুলের গুরুত্ব রয়েছে। তবে অনেক এলাকায় প্রচলিত আছে যে, পাত্রকে বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণের সময় তিনবার ‘কবুল’ বলতে হবে, অন্যথায় বিয়ে শুদ্ধ হবে না।

ঢাকা থেকে প্রকাশিত ইসলামি গবেষণা পত্রিকা মাসিক আল কাউসারে বলা হয়েছে, তিনবার কবুল বলার বিষয়টি শরিয়তের বিধান নয়, বরং এটি একটি সামাজিক রীতি। পত্রিকাটি উল্লেখ করেছে যে, এ ধরনের মনগড়া রীতির কারণে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

শরিয়তের দৃষ্টিতে, বিয়ের প্রস্তাবের পর সাক্ষীদের সামনে একবার ‘কবুল’ বললেই বিবাহ সম্পন্ন হয়ে যায়। তিনবার কবুল বলা আবশ্যক নয়। এ বিষয়ে ফাতাওয়ায়ে শামি ও ফাতাওয়ায়ে আলমগিরির উল্লেখ রয়েছে।

হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেছেন, বিয়ের জন্য নির্দিষ্ট কোনো তারিখ বা মাস নির্ধারণ করা হয়নি; বরং সামর্থ্য থাকলে দেরি না করে বিয়ে করা উচিত।

বর্তমান সময়ে ভালো পাত্র-পাত্রী নির্বাচন একটি জটিল কাজ। তাই বিয়ের আগে পাত্রী দেখে নেওয়া এবং ভালোভাবে খোঁজ নেওয়া নবীজির (সা.) সুন্নত। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে বলা হয়েছে, বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার সময় নারীর কিছু বৈশিষ্ট্য দেখা উচিত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন