বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ঢাকায় অভ্যুত্থান এবং ভারতের ২০২৬ সালের জুলাই মাসে দিল্লিতে যুব আন্দোলনের মধ্যে একটি তুলনা তৈরি হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই তরুণ নাগরিকদের অসন্তোষকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে উঠেছে, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে ত্বরান্বিত হয়েছে।
বাংলাদেশে অভ্যুত্থানটি সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহালের বিরোধিতার মাধ্যমে শুরু হয়, যা তরুণ স্নাতকদের জন্য মেধা ও কর্মসংস্থানের সুযোগের বিরুদ্ধে একটি সংগ্রামের প্রতীক হয়ে ওঠে। সরকারের প্রতিক্রিয়া পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে, যার ফলে জাতিসংঘ মানবাধিকার দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে প্রায় ১,৪০০ জন নিহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে, ভারতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজিপি)-এর আন্দোলন পরীক্ষার অনিয়ম ও ভোটার তালিকা সংশোধনের উদ্বেগকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে, তবে সমালোচকরা এর প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
এ দুটি আন্দোলন বাহ্যিক উপাদান যেমন ডিজিটাল প্রোপাগান্ডা ও বিদেশি প্রভাবের প্রভাবও তুলে ধরে। বিশেষ করে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে অসন্তোষকে উসকে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভারতের সরকারের উচিত শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে দমন না করে জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং প্রকৃত অসন্তোষের সমাধান করা। গণতন্ত্রের স্থিতিস্থাপকতা আইন বাস্তবায়নের সক্ষমতা ও নাগরিকদের প্রতি সরকারের জবাবদিহিতার মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়।
অনলাইন ডেক্স 
























