ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে যুবক আফতাব উদ্দিন হত্যাকাণ্ড: তদন্তে নতুন তথ্য

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:০০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৬ Time View

২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁওয়ের হাজীপাড়ায় ইট-বালুর ব্যবসায়ী আফতাব উদ্দিন (২৭) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আফতাবকে হত্যার জন্য পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়।

ঘটনার দিন আফতাব একটি চায়ের দোকানের সামনে বসে ছিলেন। কালো রঙের একটি নোহা মাইক্রোবাস থেকে নেমে আসা কয়েকজন যুবক তার দিকে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পরও হামলাকারীরা আফতাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে। এরপর তারা ৮ থেকে ১০ মিনিট ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

নিহত আফতাবের বাবা মো. মুসা অভিযোগ করেছেন, তদন্তে প্রায় দুই বছর কেটে গেলেও কোনো অগ্রগতি হয়নি। তিনি বলেন, বারবার তদন্ত কর্মকর্তা বদল হয়েছে এবং একটি অস্ত্রও উদ্ধার হয়নি।

পুলিশের অভিযোগপত্রে ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারী মো. সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ এবং মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন উল্লেখ রয়েছে। তদন্তে বলা হয়েছে, ইট-বালুর ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আফতাবকে হত্যা করা হয়।

আফতাবের পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি সন্ত্রাসী সাজ্জাদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখালেখি করতেন এবং চাঁদা দাবি নিয়ে আদালতে সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। তবে পুলিশ তখন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পূজার আনন্দে অজয়-কাজলের বাংলোয় বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হলো

চট্টগ্রামে যুবক আফতাব উদ্দিন হত্যাকাণ্ড: তদন্তে নতুন তথ্য

আপলোড সময় : ০৩:০০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁওয়ের হাজীপাড়ায় ইট-বালুর ব্যবসায়ী আফতাব উদ্দিন (২৭) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নতুন তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আফতাবকে হত্যার জন্য পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়।

ঘটনার দিন আফতাব একটি চায়ের দোকানের সামনে বসে ছিলেন। কালো রঙের একটি নোহা মাইক্রোবাস থেকে নেমে আসা কয়েকজন যুবক তার দিকে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ার পরও হামলাকারীরা আফতাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে। এরপর তারা ৮ থেকে ১০ মিনিট ফাঁকা গুলি ছুড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

নিহত আফতাবের বাবা মো. মুসা অভিযোগ করেছেন, তদন্তে প্রায় দুই বছর কেটে গেলেও কোনো অগ্রগতি হয়নি। তিনি বলেন, বারবার তদন্ত কর্মকর্তা বদল হয়েছে এবং একটি অস্ত্রও উদ্ধার হয়নি।

পুলিশের অভিযোগপত্রে ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারী মো. সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ এবং মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন উল্লেখ রয়েছে। তদন্তে বলা হয়েছে, ইট-বালুর ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আফতাবকে হত্যা করা হয়।

আফতাবের পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি সন্ত্রাসী সাজ্জাদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখালেখি করতেন এবং চাঁদা দাবি নিয়ে আদালতে সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। তবে পুলিশ তখন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন