ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশুর আনডিসেন্ডেড টেস্টিস: লক্ষণ, ঝুঁকি ও চিকিৎসা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:৪৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০২ Time View

শিশুর জন্মের পর অণ্ডথলিতে একটি বা দুটি অণ্ডকোষের অনুপস্থিতি অবহেলা করা উচিত নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এ সমস্যাকে আনডিসেন্ডেড টেস্টিস বা ক্রিপ্টোরকিডিজম বলা হয়। সময়মতো শনাক্তকরণ ও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে ভবিষ্যতের জটিলতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

গর্ভাবস্থায় শিশুর অণ্ডকোষ পেটের ভেতরে তৈরি হয় এবং স্বাভাবিক বিকাশের সময় এটি নিচে নেমে অণ্ডথলিতে অবস্থান নেয়। তবে জন্মের সময় একটি বা উভয় অণ্ডকোষ অণ্ডথলিতে না নেমে অন্য স্থানে থেকে গেলে তাকে আনডিসেন্ডেড টেস্টিস বলা হয়।

ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সময়ের আগে জন্ম নেওয়া শিশু, জন্মের সময় ওজন কম থাকা শিশু এবং গর্ভাবস্থায় অণ্ডকোষের বিকাশে ব্যাঘাত ঘটেছে এমন শিশু। চিকিৎসা না করালে বন্ধ্যাত্ব, অণ্ডকোষের ক্যান্সার এবং অণ্ডকোষ পেঁচিয়ে যাওয়া (টেস্টিকুলার টর্সন) সহ বিভিন্ন জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

লক্ষণ হিসেবে দেখা যায় অণ্ডথলির এক পাশ বা উভয় পাশ খালি মনে হওয়া, অণ্ডথলির এক পাশের তুলনামূলক ছোট বা কম বিকশিত হওয়া এবং কখনো কুঁচকির দিকে ছোট গোলাকার অংশ অনুভব করা। ৬ মাস বয়সের মধ্যে অণ্ডকোষ নিজে থেকেই নেমে আসার সম্ভাবনা থাকে, তবে ৬ মাস বয়সের পর চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

চিকিৎসার প্রধান পদ্ধতি হলো অরকিওপেক্সি, যা একটি অস্ত্রোপচার। অস্ত্রোপচারের পর অনেক শিশুই একই দিন বা পরদিন বাড়ি ফিরতে পারে। আনডিসেন্ডেড টেস্টিসের ক্ষেত্রে সময়মতো শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা শিশুর ভবিষ্যৎ প্রজননক্ষমতা এবং সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভারত ছাড়ার নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে মুম্বাই হাইকোর্টে যাচ্ছেন ইমরান খান

শিশুর আনডিসেন্ডেড টেস্টিস: লক্ষণ, ঝুঁকি ও চিকিৎসা

আপলোড সময় : ০৩:৪৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

শিশুর জন্মের পর অণ্ডথলিতে একটি বা দুটি অণ্ডকোষের অনুপস্থিতি অবহেলা করা উচিত নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এ সমস্যাকে আনডিসেন্ডেড টেস্টিস বা ক্রিপ্টোরকিডিজম বলা হয়। সময়মতো শনাক্তকরণ ও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে ভবিষ্যতের জটিলতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

গর্ভাবস্থায় শিশুর অণ্ডকোষ পেটের ভেতরে তৈরি হয় এবং স্বাভাবিক বিকাশের সময় এটি নিচে নেমে অণ্ডথলিতে অবস্থান নেয়। তবে জন্মের সময় একটি বা উভয় অণ্ডকোষ অণ্ডথলিতে না নেমে অন্য স্থানে থেকে গেলে তাকে আনডিসেন্ডেড টেস্টিস বলা হয়।

ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে সময়ের আগে জন্ম নেওয়া শিশু, জন্মের সময় ওজন কম থাকা শিশু এবং গর্ভাবস্থায় অণ্ডকোষের বিকাশে ব্যাঘাত ঘটেছে এমন শিশু। চিকিৎসা না করালে বন্ধ্যাত্ব, অণ্ডকোষের ক্যান্সার এবং অণ্ডকোষ পেঁচিয়ে যাওয়া (টেস্টিকুলার টর্সন) সহ বিভিন্ন জটিলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

লক্ষণ হিসেবে দেখা যায় অণ্ডথলির এক পাশ বা উভয় পাশ খালি মনে হওয়া, অণ্ডথলির এক পাশের তুলনামূলক ছোট বা কম বিকশিত হওয়া এবং কখনো কুঁচকির দিকে ছোট গোলাকার অংশ অনুভব করা। ৬ মাস বয়সের মধ্যে অণ্ডকোষ নিজে থেকেই নেমে আসার সম্ভাবনা থাকে, তবে ৬ মাস বয়সের পর চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

চিকিৎসার প্রধান পদ্ধতি হলো অরকিওপেক্সি, যা একটি অস্ত্রোপচার। অস্ত্রোপচারের পর অনেক শিশুই একই দিন বা পরদিন বাড়ি ফিরতে পারে। আনডিসেন্ডেড টেস্টিসের ক্ষেত্রে সময়মতো শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা শিশুর ভবিষ্যৎ প্রজননক্ষমতা এবং সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন