স্মার্টফোন কেনার সময় অনেক ব্যবহারকারী প্রথমেই জানতে চান, ‘কত জিবি র্যাম?’। সাধারণভাবে মনে করা হয়, র্যাম যত বেশি, ফোনের গতি তত বেশি। তবে বাস্তবে র্যাম ফোনের গতির একটি অংশ মাত্র।
র্যাম হলো স্মার্টফোনের অস্থায়ী মেমরি, যা একসঙ্গে অনেক অ্যাপ চালানোর সুবিধা দেয়। উদাহরণস্বরূপ, ফেসবুক থেকে ইউটিউবে যাওয়ার পর আবার ফেসবুকে ফিরে আসলে, বেশি র্যাম থাকলে অ্যাপটি আগের অবস্থান থেকে খুলবে। তবে র্যাম অ্যাপের নিজস্ব গতি বাড়ায় না।
ফোনের গতি মূলত প্রসেসরের ওপর নির্ভর করে। ৮ জিবি র্যামের একটি পুরোনো প্রসেসরের ফোনের চেয়ে ৬ জিবি র্যামের আধুনিক প্রসেসরের ফোন অনেক সময় বেশি মসৃণ চলে। গেমিং বা ভিডিও এডিটিংয়ের মতো ভারী কাজে প্রসেসরের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।
স্টোরেজের ধরনও গুরুত্বপূর্ণ। ধীর ইএমএমসি স্টোরেজের চেয়ে দ্রুত ইউএফএস ২.২ বা ৩.১ স্টোরেজে অ্যাপ খুলতে ও গেম লোড হতে কম সময় লাগে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে, দামে কম ফোনে সাধারণত ধীর স্টোরেজ থাকে।
বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের জন্য সাধারণ ব্যবহারে ৬ জিবি র্যাম যথেষ্ট। তবে ভারী গেম খেলার জন্য ৮ থেকে ১২ জিবি র্যাম প্রয়োজন হতে পারে। ফোন কেনার সময় র্যামের পাশাপাশি প্রসেসরের মডেল, স্টোরেজের ধরন ও সফটওয়্যার অভিজ্ঞতাও বিবেচনা করা উচিত।
অনলাইন ডেক্স 

























