ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্রিটেশাস যুগের হিংস্র ডাইনোসরের চলার পথের সন্ধান

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:৩৫:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০২ Time View

বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো একটি প্রাপ্তবয়স্ক টির‌্যানোসরাস রেক্সের চলাচলের পথের সন্ধান পেয়েছেন। ক্রিটেশাস যুগের এই শিকারি ডাইনোসর কীভাবে চলাফেরা করত, তা নিয়ে এতদিন স্পষ্ট ধারণা ছিল না।

আজ থেকে সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে পর্যন্ত পৃথিবীতে ডাইনোসরদের রাজত্ব ছিল। ডাইনোসরের পায়ের ছাপ খুঁজে পাওয়া সহজ নয়, কারণ মাটি ক্ষয়ে যাওয়ার আগেই সেগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এতদিন প্রাপ্তবয়স্ক টি-রেক্সের মাত্র দুটি বিচ্ছিন্ন পায়ের ছাপ পাওয়া গিয়েছিল। প্রথমটি ১৯৯৮ সালে নিউ মেক্সিকো এবং দ্বিতীয়টি ২০০৮ সালে মন্টানা প্রদেশে মিলেছিল।

সম্প্রতি, উত্তর ডাকোটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং মন্টানা সীমান্তের কাছে হেল ক্রিক ফর্মেশন থেকে নতুন পায়ের ছাপগুলো আবিষ্কার হয়েছে। কলোরাডোর নর্থগ্লেনের এক হাই স্কুলের বিজ্ঞান শিক্ষক কেন্ট হাপস ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রথম দুটি পায়ের ছাপ দেখতে পান। প্রতিটি ছাপের তিনটি করে আঙুল ছিল। পরে তিনি আরও দুটি ছাপ আবিষ্কার করেন।

এই ছাপগুলো ২৩ ফুটজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে এবং প্রতিটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ ফুট ও চওড়া ২.৬ ফুট। জীবাশ্মগুলো প্রায় ৬ কোটি ৬৫ লাখ বছরের পুরোনো। আবিষ্কারের পর হাপস তার প্রথম প্রতিক্রিয়া হিসেবে অবিশ্বাস্য অনুভূতি প্রকাশ করেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, পায়ের ছাপগুলোর সময় ডাইনোসরটি প্রতি ঘণ্টায় ৫.৬ থেকে ৭ কিলোমিটার গতিতে হাঁটছিল। ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ডের জীবাশ্মবিদ টমাস হোল্টজ জুনিয়র জানান, ভেজা মাটিতে এই ছাপ তৈরি হওয়ায় ডাইনোসরটি শক্ত মাটিতে আরও দ্রুত হাঁটতে পারত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শরীয়তপুরের পিপি কামরুল হাসানকে শোকজ, বিচারকের সাথে অসদাচরণের অভিযোগ

ক্রিটেশাস যুগের হিংস্র ডাইনোসরের চলার পথের সন্ধান

আপলোড সময় : ০২:৩৫:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো একটি প্রাপ্তবয়স্ক টির‌্যানোসরাস রেক্সের চলাচলের পথের সন্ধান পেয়েছেন। ক্রিটেশাস যুগের এই শিকারি ডাইনোসর কীভাবে চলাফেরা করত, তা নিয়ে এতদিন স্পষ্ট ধারণা ছিল না।

আজ থেকে সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে পর্যন্ত পৃথিবীতে ডাইনোসরদের রাজত্ব ছিল। ডাইনোসরের পায়ের ছাপ খুঁজে পাওয়া সহজ নয়, কারণ মাটি ক্ষয়ে যাওয়ার আগেই সেগুলো নষ্ট হয়ে যায়। এতদিন প্রাপ্তবয়স্ক টি-রেক্সের মাত্র দুটি বিচ্ছিন্ন পায়ের ছাপ পাওয়া গিয়েছিল। প্রথমটি ১৯৯৮ সালে নিউ মেক্সিকো এবং দ্বিতীয়টি ২০০৮ সালে মন্টানা প্রদেশে মিলেছিল।

সম্প্রতি, উত্তর ডাকোটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং মন্টানা সীমান্তের কাছে হেল ক্রিক ফর্মেশন থেকে নতুন পায়ের ছাপগুলো আবিষ্কার হয়েছে। কলোরাডোর নর্থগ্লেনের এক হাই স্কুলের বিজ্ঞান শিক্ষক কেন্ট হাপস ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রথম দুটি পায়ের ছাপ দেখতে পান। প্রতিটি ছাপের তিনটি করে আঙুল ছিল। পরে তিনি আরও দুটি ছাপ আবিষ্কার করেন।

এই ছাপগুলো ২৩ ফুটজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে এবং প্রতিটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৩ ফুট ও চওড়া ২.৬ ফুট। জীবাশ্মগুলো প্রায় ৬ কোটি ৬৫ লাখ বছরের পুরোনো। আবিষ্কারের পর হাপস তার প্রথম প্রতিক্রিয়া হিসেবে অবিশ্বাস্য অনুভূতি প্রকাশ করেন।

গবেষণায় দেখা গেছে, পায়ের ছাপগুলোর সময় ডাইনোসরটি প্রতি ঘণ্টায় ৫.৬ থেকে ৭ কিলোমিটার গতিতে হাঁটছিল। ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ডের জীবাশ্মবিদ টমাস হোল্টজ জুনিয়র জানান, ভেজা মাটিতে এই ছাপ তৈরি হওয়ায় ডাইনোসরটি শক্ত মাটিতে আরও দ্রুত হাঁটতে পারত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন