ভারতের মহারাষ্ট্রের ওয়ার্ধা জেলায় এক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পুলিশের উপস্থিতিতেই এক নারী চিকিৎসককে চড় মারার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় সরকারি চিকিৎসকরা নিরাপত্তা ও পুলিশি ভূমিকার প্রতিবাদ জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) টামস নাউয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২১ অক্টোবর আষ্টি তালুকের তলেগাঁও শ্যামজী পান্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাদির আলী নামের এক অভিযুক্তকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নিয়ে যায় পাঁচ সদস্যের একটি পুলিশ দল। পরীক্ষার সময় কাদির আলী কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শ্রদ্ধা ভূমড়েকে চড় মারেন, যার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনার পরপরই অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ঘটনাস্থলে থাকা পাঁচ পুলিশ সদস্যের নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু করেছেন সরকারি চিকিৎসকরা। পুলিশ কাদির আলীর বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৩২ নম্বর ধারা এবং মহারাষ্ট্রের চিকিৎসা সেবা সংক্রান্ত আইনের অধীনে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।
ভারতে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও আক্রমণের ঘটনা ক্রমাগত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত জুলাইয়ে শাস্ত্রী নগর হাসপাতালে চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে শিবসেনার কাউন্সিলর রমেশ মাত্রের জামিন বাতিল করে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিক্রম নাথ ও সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ পর্যবেক্ষণ দেন যে চিকিৎসকদের ওপর হামলা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
এছাড়া, গত ৫ সেপ্টেম্বর পালঘরে হাসপাতাল কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে শিবসেনার ১৭ কর্মী সমর্থকের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ।
অনলাইন ডেক্স 























