ভারতের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে (আওরঙ্গাবাদ) বৃহস্পতিবার দুপুরে একটি গাড়ির ধাক্কায় বন্ধুকে হত্যা করেছেন এক তরুণ। নিহতের নাম দেবেশ ওরফে বান্টি দীক্ষিত (৩৬) এবং অভিযুক্ত পবন পরাশর (২২) নিজেই গাড়ি চালিয়ে সিডকো পুলিশ স্টেশনে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বান্টি একটি জিম সেশন শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় পবন তাঁর ‘৮৩৮’ নম্বর প্লেটযুক্ত গাড়ি নিয়ে বান্টির পিছু নেন এবং সিডকোর এন-৭ এলাকার মঙ্গেশ গ্যাস এজেন্সির কাছে এসে বান্টির মোটরসাইকেলে সজোরে ধাক্কা দেন। ধাক্কার ফলে বান্টি সড়কে পড়ে যান এবং তাঁর মোটরসাইকেলটি প্রায় ১৫০ ফুট দূরে ছিটকে পড়ে।
ঘাতক পবন গাড়ি থেকে নেমে বান্টির মাথায় লাঠি ও লোহার রড দিয়ে একাধিক আঘাত করেন। ঘটনাস্থলে বান্টির মৃত্যু ঘটে। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের দৃশ্য দেখে আশপাশের পথচারী ও দোকানদাররা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
জোন-২-এর উপপুলিশ কমিশনার (ডিসিপি) রত্নাকর নাভলে জানান, পবন ও বান্টি উভয়েই আলাদা আলাদা বারে ‘বাউন্সার’ হিসেবে কাজ করতেন। তাঁদের মধ্যে একসময় ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল, যা পরে শত্রুতায় রূপ নেয়। পবন দাবি করেছেন যে, এই বিরোধের কারণেই তিনি বান্টিকে হত্যা করেছেন।
পুলিশ হত্যাকাণ্ডের পেছনে অন্য কোনো গোপন বিরোধ বা উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা তদন্ত করছে।
অনলাইন ডেক্স 

























