ঢাকা ০৪:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের আখ কাটার শ্রমিকদের জরায়ু কেটে বাদ দেওয়ার প্রবণতা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:২৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০০ Time View

ভারতের কর্ণাটকের রামনাল এলাকায় আখ কাটার শ্রমিকরা কাজ বাঁচাতে জরায়ু কেটে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। পূর্ণিমা নামের এক শ্রমিক জানান, ঋণের বোঝা এবং কাজ হারানোর ভয়ে তারা নিজেদের শারীরিক স্বাস্থ্যকে ঝুঁকিতে ফেলছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতজুড়ে আনুমানিক ১৫ লাখ মানুষ আখ কাটার কাজে নিয়োজিত। তারা দৈনিক ৪০০ রুপি মজুরির বিনিময়ে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করেন। এই শ্রমিকদের মধ্যে অধিকাংশই মধ্য মহারাষ্ট্রের বিদ জেলা থেকে আসেন এবং তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য এই কঠোর পরিশ্রম করতে বাধ্য হন।

শ্রমিকদের অভিযোগ, টয়লেট বা সুপেয় পানির অভাবে তারা মাসিকের সময় শারীরিক কষ্ট সহ্য করতে বাধ্য হন। একদিন কাজ বন্ধ রাখলে বড় অঙ্কের মজুরি কাটা যায়, তাই তারা স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে বাধ্য হন।

পূর্ণিমা বলেন, "আমার কষ্ট তো কমছে না। আমি যদি ভারী জিনিসপত্র তোলা বন্ধ করতে পারতাম, হয়তো পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হতো।" অন্যদিকে, কোকা-কোলা জানিয়েছে, তারা শ্রমিকদের সুবিধা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা সলিডারিডাডের সঙ্গে কাজ করছে।

শ্রমিকদের শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা অব্যাহত রয়েছে। পূর্ণিমা বলেন, "আমি কেবল আশা করি, ব্যথা না থাকলে আমি মাঠে কাজ চালিয়ে যেতে পারব।" এই পরিস্থিতি শ্রমিকদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় টাঙ্গাইলের যুবক আনোয়ার হোসেন নিহত

ভারতের আখ কাটার শ্রমিকদের জরায়ু কেটে বাদ দেওয়ার প্রবণতা

আপলোড সময় : ০২:২৫:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের কর্ণাটকের রামনাল এলাকায় আখ কাটার শ্রমিকরা কাজ বাঁচাতে জরায়ু কেটে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। পূর্ণিমা নামের এক শ্রমিক জানান, ঋণের বোঝা এবং কাজ হারানোর ভয়ে তারা নিজেদের শারীরিক স্বাস্থ্যকে ঝুঁকিতে ফেলছেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতজুড়ে আনুমানিক ১৫ লাখ মানুষ আখ কাটার কাজে নিয়োজিত। তারা দৈনিক ৪০০ রুপি মজুরির বিনিময়ে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করেন। এই শ্রমিকদের মধ্যে অধিকাংশই মধ্য মহারাষ্ট্রের বিদ জেলা থেকে আসেন এবং তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য এই কঠোর পরিশ্রম করতে বাধ্য হন।

শ্রমিকদের অভিযোগ, টয়লেট বা সুপেয় পানির অভাবে তারা মাসিকের সময় শারীরিক কষ্ট সহ্য করতে বাধ্য হন। একদিন কাজ বন্ধ রাখলে বড় অঙ্কের মজুরি কাটা যায়, তাই তারা স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে বাধ্য হন।

পূর্ণিমা বলেন, "আমার কষ্ট তো কমছে না। আমি যদি ভারী জিনিসপত্র তোলা বন্ধ করতে পারতাম, হয়তো পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হতো।" অন্যদিকে, কোকা-কোলা জানিয়েছে, তারা শ্রমিকদের সুবিধা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা সলিডারিডাডের সঙ্গে কাজ করছে।

শ্রমিকদের শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণা অব্যাহত রয়েছে। পূর্ণিমা বলেন, "আমি কেবল আশা করি, ব্যথা না থাকলে আমি মাঠে কাজ চালিয়ে যেতে পারব।" এই পরিস্থিতি শ্রমিকদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন