ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি ও বিধিমালার বাস্তবায়নে ঘাটতি: টিআইবি

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:৪১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০০ Time View

বাংলাদেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, ২০২১ সালে প্রণীত ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা পরিবেশ অধিদপ্তরের দক্ষতা ও সমন্বয়ের অভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক ই-বর্জ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে টিআইবি ও WEEE Society Bangladesh-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সুশাসন: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও জানান, দেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্তের অভাব রয়েছে, যা সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। তিনি বর্তমান সরকারের প্রতিটি জেলায় ই-বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপনের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের ৪১টি জেলায় প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নষ্ট অবস্থায় রয়েছে, এবং এসব ইভিএমের ব্যবস্থাপনা বা পুনর্ব্যবহারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই।

বিশ্বজুড়ে পালিত আন্তর্জাতিক ই-বর্জ্য দিবসে উল্লেখ করা হয়, ২০২২ সালে বিশ্বে ৬ কোটি ২০ লাখ টন ই-বর্জ্য তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশেও পুরোনো ও অকেজো ইলেকট্রনিক পণ্যের পরিমাণ বাড়ছে। ২০১৬ সালে দেশে ই-বর্জ্যের পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ১০ হাজার টন, যা ২০১৮ সালে বেড়ে ৪ লাখ টনে পৌঁছেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চিলিতে ঝড়-বৃষ্টির কারণে রেড অ্যালার্ট জারি

ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি ও বিধিমালার বাস্তবায়নে ঘাটতি: টিআইবি

আপলোড সময় : ০১:৪১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, ২০২১ সালে প্রণীত ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা পরিবেশ অধিদপ্তরের দক্ষতা ও সমন্বয়ের অভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক ই-বর্জ্য দিবস ২০২৬ উপলক্ষে টিআইবি ও WEEE Society Bangladesh-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সুশাসন: চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও জানান, দেশে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্তের অভাব রয়েছে, যা সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। তিনি বর্তমান সরকারের প্রতিটি জেলায় ই-বর্জ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপনের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের ৪১টি জেলায় প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) নষ্ট অবস্থায় রয়েছে, এবং এসব ইভিএমের ব্যবস্থাপনা বা পুনর্ব্যবহারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই।

বিশ্বজুড়ে পালিত আন্তর্জাতিক ই-বর্জ্য দিবসে উল্লেখ করা হয়, ২০২২ সালে বিশ্বে ৬ কোটি ২০ লাখ টন ই-বর্জ্য তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশেও পুরোনো ও অকেজো ইলেকট্রনিক পণ্যের পরিমাণ বাড়ছে। ২০১৬ সালে দেশে ই-বর্জ্যের পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ১০ হাজার টন, যা ২০১৮ সালে বেড়ে ৪ লাখ টনে পৌঁছেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন