রাজবাড়ীর পাংশায় সোনার দোকানের মালিককে রসমালাইয়ের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে প্রায় ৬৫ লাখ টাকার সোনা, রুপা ও নগদ টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে কর্মচারী খন্দকার জায়ফুল ইসলাম লিটনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গাজীপুর থেকে লিটনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোর ৫টার দিকে গাজীপুর মহানগর পুলিশের কোনাবাড়ী থানার মধ্যপাড়া এলাকা থেকে লিটনকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাজবাড়ীতে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন এসব তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, পাংশা থানাধীন নারায়ণপুরের দত্ত মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ‘নিউ মুসলিম জুয়েলার্স’ নামে একটি দোকানের মালিক শহিদুল ইসলামকে পরিকল্পিতভাবে রসমালাইয়ের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়। এরপর দোকানের চাবি নিয়ে ২৫ ভরি স্বর্ণ, ২০০ ভরি রূপা এবং নগদ প্রায় ২ লাখ টাকা চুরি করা হয়।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, লিটন গত ২৮ সেপ্টেম্বর পাওনা টাকা উঠিয়ে দেওয়ার কথা বলে শহিদুল ইসলামকে জলিলপাড়ায় নিয়ে যান। সেখানে রসমালাইয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে শহিদুল ইসলামকে অচেতন করা হয়। পরে দোকানের চাবি নিয়ে লিটন দোকানে ফিরে আসেন এবং অপর কর্মচারী দীপকে কৌশলে খাবার আনতে পাঠিয়ে অলংকার ও নগদ টাকা চুরি করেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, চুরি হওয়া সোনার পরিমাণ ২৫ ভরি, রুপা ২২০ ভরি ও নগদ প্রায় দুই লাখ টাকা। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় লিটনের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ১৫ ভরি ও ১ দশমিক ৫৮ আনা সোনা এবং ২২০ ভরি রুপার অলংকার উদ্ধার করেছে।
অনলাইন ডেক্স 

























