ঢাকা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বসতভিটা না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়লেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:১৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০১ Time View

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মিশন আচার্য। তবে স্থায়ী ঠিকানায় নিজের নামে কোনো বসতভিটা না থাকায় তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

মিশন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কলাবাগান এলাকায় মায়ের সঙ্গে বড় হয়েছেন। তিনি জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৮২ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল, এর মধ্যে ১৮০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে।

মিশন আচার্য দাবি করেন, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে জমিজমা-সংক্রান্ত কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে—এমন ধারণা থেকে তার খালু গ্রামের এলাকায় তার নামে দুই শতক জমি লিখে দেন। পুলিশ তদন্তের সময় তিনি ওই জমির দলিল জমা দেন, তবে সেখানে তার কোনো বসতবাড়ি নেই।

তিনি বলেন, “আমার মা বাসাবাড়িতে কাজ করে আমাকে বড় করেছেন এবং আমাদের আর্থিক অবস্থা খুবই শোচনীয়।” মিশন সরকারের কাছে চাকরিটি ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, “মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়ে স্থায়ী ঠিকানা নিয়ে একটি জটিলতা দেখা দিয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে ইতিমধ্যে বিষয়টি শিক্ষা অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থ সহায়তায় সুচিত্রার বিয়ে সম্পন্ন, তিনবার ভেঙেছিল বিয়ে

বসতভিটা না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়লেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী

আপলোড সময় : ১২:১৬:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মিশন আচার্য। তবে স্থায়ী ঠিকানায় নিজের নামে কোনো বসতভিটা না থাকায় তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

মিশন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কলাবাগান এলাকায় মায়ের সঙ্গে বড় হয়েছেন। তিনি জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৮২ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল, এর মধ্যে ১৮০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে।

মিশন আচার্য দাবি করেন, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে জমিজমা-সংক্রান্ত কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে—এমন ধারণা থেকে তার খালু গ্রামের এলাকায় তার নামে দুই শতক জমি লিখে দেন। পুলিশ তদন্তের সময় তিনি ওই জমির দলিল জমা দেন, তবে সেখানে তার কোনো বসতবাড়ি নেই।

তিনি বলেন, “আমার মা বাসাবাড়িতে কাজ করে আমাকে বড় করেছেন এবং আমাদের আর্থিক অবস্থা খুবই শোচনীয়।” মিশন সরকারের কাছে চাকরিটি ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, “মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়ে স্থায়ী ঠিকানা নিয়ে একটি জটিলতা দেখা দিয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে ইতিমধ্যে বিষয়টি শিক্ষা অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন