সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল গ্রামের সুচিত্রা রানী দাসের বিয়ে শুক্রবার ধুমধাম করে সম্পন্ন হয়েছে। টাকার অভাবে তিনবার তার বিয়ে ভেঙে যায়।
সুচিত্রা রানী দাস জামতৈল সূত্রধরপাড়ার সুজন চন্দ্র দাস ও কামনা রানী দাসের মেয়ে। তার পরিবারে বাবা সেলুনে কাজ করেন এবং মা অসুস্থতার কারণে কাজ করতে পারেন না। পরিবারের আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় সুচিত্রার বিয়ে ভেঙে যায়।
মামুন বিশ্বাস নামের একজন মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি সুচিত্রার সমস্যার কথা জানার পর নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন। সেই পোস্টের মাধ্যমে দেশ-বিদেশ থেকে ২ লাখ ৩২ হাজার টাকা সংগ্রহ হয়।
সুচিত্রার বিয়ের আয়োজনের জন্য এই অর্থ ব্যবহার করা হয়। তার বিয়ে হয়েছে উল্লাপাড়া উপজেলার হাট বোয়ালিয়া গ্রামের পলাশ কুমার ভৌমিকের সঙ্গে।
সুচিত্রার মা কামনা রানী দাস বলেন, “আমরা খুব কষ্টে চলতাম। মামুন বিশ্বাস আমাদের পাশে না দাঁড়ালে এবারও বিয়ে ভেঙে যেত।” সুচিত্রা জানান, “এবারের বিয়ের আয়োজনের জন্য আমরা মামুন বিশ্বাসের প্রতি কৃতজ্ঞ।”
মামুন বিশ্বাস বলেন, “সুচিত্রার বিয়ের মতো আরও দেড় শতাধিক অসহায় মেয়ের বিয়ের জন্য ফেসবুকের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে।”
অনলাইন ডেক্স 

























