মৃত্যু জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ধনী-গরিব, রাজা-প্রজা, শক্তিশালী-দুর্বল— সবার জন্যই মৃত্যু একটি অনিবার্য গন্তব্য। মৃত্যুর পর প্রত্যেকের সামনে তার চিরস্থায়ী আবাসস্থল তুলে ধরা হয়। হাদিসে উল্লেখ আছে, মহানবী (সা.) বলেছেন, মারা যাওয়ার পর মৃত ব্যক্তির সামনে তার মূল বাসস্থানকে তুলে ধরা হবে। যদি সে জান্নাতি হয়, তবে জান্নাতের বাসস্থান আর যদি সে জাহান্নামী হয়, তবে জাহান্নামের বাসস্থান।
মহান আল্লাহ কেয়ামত সম্পর্কে বলেন, ‘সেদিন মানুষ নিজের পরিবার থেকে পালাবে। প্রত্যেক ব্যক্তির ওপর এমন সময় আসবে, সে নিজেকে ছাড়া আর কারও প্রতি লক্ষ করার মতো অবস্থায় থাকবে না।’ (সুরা আবাসা: ৩৪-৩৭)
হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, মহানবী (সা.) বলেছেন, কেয়ামতের দিন মানুষ উলঙ্গ হয়ে খতনাহীন অবস্থায় কবর থেকে হাশরের ময়দানে আসবে। এই পরিস্থিতি এত ভয়ংকর হবে যে, কেউ কারও দিকে তাকানোর কথা ভাবতেও পারবে না।
মহানবী (সা.) আরও বলেছেন, কেয়ামত দিবসে পাঁচটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ হওয়া পর্যন্ত আদম সন্তানের পদ আল্লাহর নিকট থেকে সরতে পারবে না। এই পাঁচটি বিষয় হলো: তার জীবনকাল, যৌবনকাল, ধন-সম্পদ এবং অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী আমল।
অতএব, পরকালে সফল হতে মহান আল্লাহর হুকুম মেনে চলা এবং রাসুল (সা.) এর আদর্শ অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনলাইন ডেক্স 

























