আত্মহত্যা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, আত্মহত্যার চিন্তা বা মানসিক সংকটে থাকা ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতাপূর্ণ আচরণ জরুরি।
বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সাভারের আশুলিয়া মডেল টাউনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। মনোযত্ন আউটডোর কাউন্সেলিং সেন্টার, আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র এবং মায়ের হাসি মেন্টাল হেলথ সার্ভিস সেন্টার যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।
এ বছরের দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘আত্মহত্যা সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা ও কথন পরিবর্তন’। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখী গাঙ্গুলী।
রাখী গাঙ্গুলী বলেন, ‘২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৩২২ জন নারী রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে আত্মহত্যার চিন্তা ও প্রচেষ্টার সঙ্গে মাদকাসক্তি এবং বিভিন্ন মানসিক রোগের উল্লেখযোগ্য সম্পর্ক পাওয়া গেছে।’
ডা. সুমাইয়া বিনতে জলিল বলেন, ‘আত্মহত্যার চিন্তা বা মানসিক সংকটে থাকা ব্যক্তিকে বিচার বা দোষারোপ না করে মনোযোগ দিয়ে তার কথা শোনা প্রয়োজন।’ ডা. নায়লা পারভীন বলেন, ‘আত্মহত্যা প্রতিরোধে সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।’
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, আত্মহত্যা নিয়ে নীরবতা নয়; প্রয়োজন সচেতনতা, সহানুভূতি এবং সময়মতো সহায়তা। সঠিকভাবে কথা বলা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা একটি জীবন বাঁচাতে পারে।
অনলাইন ডেক্স 
























