ঢাকা ০৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তুরস্কের অদ্ভুত সৌন্দর্য: মালদ্বীপের মতো দেখতে সালদা লেকসহ পাঁচটি আকর্ষণীয় স্থান

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:০০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২১৭ Time View

তুরস্কের বুরদুর প্রদেশে অবস্থিত সালদা হ্রদ প্রথমবার দেখলে মনে হতে পারে, এটি মালদ্বীপের কোনো সৈকত। হ্রদের সাদা তীর এবং নীল পানির সৌন্দর্য পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।

সালদা হ্রদের গভীরতা প্রায় ২০০ মিটার। এখানে ঘোরাঘুরি, পিকনিক ও সাঁতার কাটার সুযোগ রয়েছে। পানির নিচে পৃথিবীর প্রাচীন জীবনের চিহ্নও পাওয়া গেছে, যা নাসার বিজ্ঞানীদের মঙ্গলগ্রহে পাঠানো ২০২০ সালের অভিযানের প্রস্তুতিতে কাজে লেগেছিল।

তুরস্কের ক্যাপাডোসিয়া অঞ্চলে কায়মাকলি নামে একটি প্রাচীন শহর রয়েছে, যা মাটির নিচে তৈরি। এখানে শতাধিক সুড়ঙ্গ রয়েছে, যা প্রায় ৪০ মিটার গভীর। ধারণা করা হয়, খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে ফ্রিজীয়রা এসব গুহা তৈরি করেছিল।

ইয়াজিলিকায়া পাথরে ৮৩ দেবতার ছবি খোদাই করা রয়েছে, যা খ্রিস্টপূর্ব ১৩ শতকে তৈরি হয়। এটি হিট্টাইট ধর্মীয় স্থাপনার মধ্যে অন্যতম। ইয়াজিলিকায়া এবং হাত্তুসা দুটি স্থানই ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।

নেমরুত পাহাড়ের চূড়ায় বিশাল পাথরের মূর্তি রয়েছে, যা খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে তৈরি করা হয়। এছাড়া, ইয়ানারতাশ এলাকায় পাথরের ফাঁক দিয়ে আগুন জ্বলছে, যা প্রায় আড়াই হাজার বছর ধরে চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এমপি আমীর হামজার বিরুদ্ধে মহিলা দলের প্রতিবাদ মিছিল

তুরস্কের অদ্ভুত সৌন্দর্য: মালদ্বীপের মতো দেখতে সালদা লেকসহ পাঁচটি আকর্ষণীয় স্থান

আপলোড সময় : ০৩:০০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তুরস্কের বুরদুর প্রদেশে অবস্থিত সালদা হ্রদ প্রথমবার দেখলে মনে হতে পারে, এটি মালদ্বীপের কোনো সৈকত। হ্রদের সাদা তীর এবং নীল পানির সৌন্দর্য পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।

সালদা হ্রদের গভীরতা প্রায় ২০০ মিটার। এখানে ঘোরাঘুরি, পিকনিক ও সাঁতার কাটার সুযোগ রয়েছে। পানির নিচে পৃথিবীর প্রাচীন জীবনের চিহ্নও পাওয়া গেছে, যা নাসার বিজ্ঞানীদের মঙ্গলগ্রহে পাঠানো ২০২০ সালের অভিযানের প্রস্তুতিতে কাজে লেগেছিল।

তুরস্কের ক্যাপাডোসিয়া অঞ্চলে কায়মাকলি নামে একটি প্রাচীন শহর রয়েছে, যা মাটির নিচে তৈরি। এখানে শতাধিক সুড়ঙ্গ রয়েছে, যা প্রায় ৪০ মিটার গভীর। ধারণা করা হয়, খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতকে ফ্রিজীয়রা এসব গুহা তৈরি করেছিল।

ইয়াজিলিকায়া পাথরে ৮৩ দেবতার ছবি খোদাই করা রয়েছে, যা খ্রিস্টপূর্ব ১৩ শতকে তৈরি হয়। এটি হিট্টাইট ধর্মীয় স্থাপনার মধ্যে অন্যতম। ইয়াজিলিকায়া এবং হাত্তুসা দুটি স্থানই ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।

নেমরুত পাহাড়ের চূড়ায় বিশাল পাথরের মূর্তি রয়েছে, যা খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতকে তৈরি করা হয়। এছাড়া, ইয়ানারতাশ এলাকায় পাথরের ফাঁক দিয়ে আগুন জ্বলছে, যা প্রায় আড়াই হাজার বছর ধরে চলছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন