ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাবিতে শিক্ষার্থীদের মানসিক সংকট বাড়ছে, সেবা নিতে আগ্রহী

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:১০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০৩ Time View

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক সংকট বাড়ছে। দীর্ঘমেয়াদি বিষণ্নতা, পারিবারিক সমস্যা, একাকিত্ব এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা এসব সংকটের কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণে এ চিত্র উঠে এসেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) দ্বিতীয় তলায় ‘শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্র’ কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও সেখানে মানসিক চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নেই। প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য কোনো পৃথক কল্যাণ কেন্দ্র নেই।

গত ছয় বছরে শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্র থেকে আড়াই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী মানসিক সেবা নিয়েছেন। ২০২০ সালে ২০২ জন, ২০২১ সালে ২৫৮ জন, ২০২২ সালে ৬৪০ জন, ২০২৩ সালে ৬৭৫ জন, ২০২৪ সালে ৪৩৬ জন এবং ২০২৫ সালে ৩৫১ জন শিক্ষার্থী সেবা গ্রহণ করেছেন।

সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে বিষন্নতা, উদ্বেগ, প্যানিক ডিজঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, এবং আত্মহত্যাপ্রবণ চিন্তা সহ বিভিন্ন মানসিক সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ইফরাত জাহান কালবেলা জানান, করোনার পর শিক্ষার্থীদের সমস্যা পরিবর্তিত হয়েছে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিও তাদের ওপর প্রভাব ফেলছে।

শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দিন বলেন, পর্যাপ্ত রিসোর্সের অভাব রয়েছে। ১৫ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র দুজন মনোবিজ্ঞানী ও একজন ক্যারিয়ার কাউন্সেলর রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান জানান, কল্যাণ কেন্দ্রকে নতুন স্থানে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী: সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে

জাবিতে শিক্ষার্থীদের মানসিক সংকট বাড়ছে, সেবা নিতে আগ্রহী

আপলোড সময় : ০৪:১০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসিক সংকট বাড়ছে। দীর্ঘমেয়াদি বিষণ্নতা, পারিবারিক সমস্যা, একাকিত্ব এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা এসব সংকটের কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণে এ চিত্র উঠে এসেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) দ্বিতীয় তলায় ‘শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্র’ কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও সেখানে মানসিক চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নেই। প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য কোনো পৃথক কল্যাণ কেন্দ্র নেই।

গত ছয় বছরে শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্র থেকে আড়াই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী মানসিক সেবা নিয়েছেন। ২০২০ সালে ২০২ জন, ২০২১ সালে ২৫৮ জন, ২০২২ সালে ৬৪০ জন, ২০২৩ সালে ৬৭৫ জন, ২০২৪ সালে ৪৩৬ জন এবং ২০২৫ সালে ৩৫১ জন শিক্ষার্থী সেবা গ্রহণ করেছেন।

সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে বিষন্নতা, উদ্বেগ, প্যানিক ডিজঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, এবং আত্মহত্যাপ্রবণ চিন্তা সহ বিভিন্ন মানসিক সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে। কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ইফরাত জাহান কালবেলা জানান, করোনার পর শিক্ষার্থীদের সমস্যা পরিবর্তিত হয়েছে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিও তাদের ওপর প্রভাব ফেলছে।

শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দিন বলেন, পর্যাপ্ত রিসোর্সের অভাব রয়েছে। ১৫ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র দুজন মনোবিজ্ঞানী ও একজন ক্যারিয়ার কাউন্সেলর রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান জানান, কল্যাণ কেন্দ্রকে নতুন স্থানে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন