বিদায়ী রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছে। সংবিধানের সুনির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির আসন শূন্য হওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। এই আইনি কাঠামোর আলোকে খুব শিগগিরই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময়সূচি বা তফসিল ঘোষণা করার পরিকল্পনা করছে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদের আলোকে রাষ্ট্রপতির পদ খালি হওয়ার নির্ধারিত নব্বই দিনের সময়সীমার ভেতরেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিদায়ী রাষ্ট্রপতি গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করার পর থেকেই পদটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।
ইসির সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন-১৯৯১ এর নীতিমালা অনুসরণে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন। জাতীয় সংসদের ৩৫০ জন সংসদ সদস্য এই নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।
কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, ভোটার তালিকা চূড়ান্তকরণের কাজ শেষ হলেই নির্বাচনের প্রাক-তফসিল ঘোষণা করা হবে। নির্বাচনটি সংরক্ষিত নারী আসন নির্বাচনের কাঠামোর মতো পরিচালিত হবে। একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকলে জাতীয় সংসদ ভবনে ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে, অন্যথায় একজন মাত্র বৈধ প্রার্থী থাকলে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।
কমিশনের সব ধরণের কার্যক্রম সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় স্থগিত ছিল। আগামী রবিবার অথবা পরবর্তী কার্যদিবসে তফসিল সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে বিশেষ বৈঠকে বসবেন কমিশনের নীতি নির্ধারকরা। নির্বাচন কমিশন আশ্বস্ত করেছে যে, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি জানানো হবে।
অনলাইন ডেক্স 






















