ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরার উপবৃত্তির তালিকা নিয়ে ভুল তথ্য ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:২৪:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
  • ২০০ Time View

মাগুরার শালিখা উপজেলায় ৩২ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির তালিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছে। ফেসবুকে দাবি করা হয়েছে, তালিকায় শুধুমাত্র হিন্দু শিক্ষার্থীদের নাম রয়েছে এবং মুসলিম শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করা হয়েছে।

এছাড়া কিছু পোস্টে বলা হয়েছে, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর মাগুরা-২ আসনের ৩৫ জনের বৃত্তির তালিকায় কোনো মুসলিম শিক্ষার্থী নেই। তবে তথ্য যাচাইয়ের পর জানা গেছে, এই তালিকাটি একটি বিশেষ বরাদ্দের আওতায় প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবছর এভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

শালিখা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হাসান চৌধুরী জানান, এই শিক্ষার্থীরা মূলত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য। মাগুরার চারটি উপজেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের বসবাস রয়েছে।

ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান দ্য ডিসেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছড়িয়ে পড়া তালিকাটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা’ কর্মসূচির আওতায়। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীভুক্ত জনগণের জীবনমান উন্নয়ন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তালিকাটি ছড়িয়েছে, প্রকৃত তালিকায় মোট ৬৪ শিক্ষার্থীর নাম রয়েছে। একই পরিবারের একাধিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীভুক্ত শিক্ষার্থীও তালিকায় রয়েছে এবং যোগ্য উপকারভোগীদের বাদ দেওয়া হয়নি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা মানতে গণমাধ্যমকে সরকারের আহ্বান

মাগুরার উপবৃত্তির তালিকা নিয়ে ভুল তথ্য ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে

আপলোড সময় : ১২:২৪:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

মাগুরার শালিখা উপজেলায় ৩২ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির তালিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছে। ফেসবুকে দাবি করা হয়েছে, তালিকায় শুধুমাত্র হিন্দু শিক্ষার্থীদের নাম রয়েছে এবং মুসলিম শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করা হয়েছে।

এছাড়া কিছু পোস্টে বলা হয়েছে, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর মাগুরা-২ আসনের ৩৫ জনের বৃত্তির তালিকায় কোনো মুসলিম শিক্ষার্থী নেই। তবে তথ্য যাচাইয়ের পর জানা গেছে, এই তালিকাটি একটি বিশেষ বরাদ্দের আওতায় প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবছর এভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

শালিখা উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর হাসান চৌধুরী জানান, এই শিক্ষার্থীরা মূলত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য। মাগুরার চারটি উপজেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের বসবাস রয়েছে।

ফ্যাক্টচেক প্রতিষ্ঠান দ্য ডিসেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছড়িয়ে পড়া তালিকাটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা’ কর্মসূচির আওতায়। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীভুক্ত জনগণের জীবনমান উন্নয়ন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তালিকাটি ছড়িয়েছে, প্রকৃত তালিকায় মোট ৬৪ শিক্ষার্থীর নাম রয়েছে। একই পরিবারের একাধিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীভুক্ত শিক্ষার্থীও তালিকায় রয়েছে এবং যোগ্য উপকারভোগীদের বাদ দেওয়া হয়নি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন