পূর্ব সুন্দরবনের জেলেরা মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার কারণে সরকারি সহায়তার চাল না পেয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। সরকার প্রথমবারের মতো ভিজিএফ চাল বরাদ্দ করলেও পশ্চিম সুন্দরবনে তালিকাভুক্ত সব জেলের জন্য চাল বরাদ্দ হলেও পূর্ব সুন্দরবনে মাত্র এক চতুর্থাংশ জেলের জন্য চাল বরাদ্দ হয়েছে।
বর্তমানে সুন্দরবনে মাছ ধরায় তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা চলছে। বন বিভাগের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে যে, মৎস্য বিভাগের অসহযোগিতার কারণে পূর্ব সুন্দরবনের জেলেদের জন্য পর্যাপ্ত চাল বরাদ্দ হয়নি।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৮ জুলাই থেকে প্রতি বছর জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসে মাছ ধরা বন্ধের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে জেলেরা দীর্ঘ সময় ধরে বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় গত ১৬ জুলাই ৮ হাজার ২৭১টি জেলে পরিবারের জন্য ৬৬১ দশমিক ৬৮ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেয়। তবে স্থানীয় জেলেদের অভিযোগ, পূর্ব বন বিভাগের সব জেলের জন্য চাল বরাদ্দ হয়নি।
বাগেরহাট জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মো. দুলাল ফরাজী বলেন, পূর্ব সুন্দরবনের সব জেলেদের জন্য চাল বরাদ্দ না হওয়ায় তারা হতাশ। এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করীম চৌধুরী জানান, পূর্ব বন বিভাগের তালিকাভুক্ত ৮ হাজার ৫৪০ জন জেলের বিপরীতে মাত্র ১ হাজার ৪৮৯ জন জেলের জন্য চাল বরাদ্দ হয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 






















