ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় চা বিক্রেতার মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ২০৫ Time View

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ধর্মদহ এলাকা থেকে ৬০ বছর বয়সী চা বিক্রেতা সামিরুল শাহের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার শরীর ও মুখে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা হত্যাকাণ্ডের সম্ভাবনা নির্দেশ করছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে স্থানীয়রা ব্যাংগাড়ি-ধর্মদহ সড়কের পাশে একটি মাঠে বাঁশের মাচায় মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন।

সামিরুল শাহ তেকালা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত বিশারদ শাহের ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা থেকে এই এলাকায় বসবাস করছে। নিহতের বড় ছেলে সাঈদ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তার বাবা মুন্টু নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে যান, এরপর থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে এবং হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর বঙ্গভবনের সামনে জনতার ভিড়

কুষ্টিয়ায় চা বিক্রেতার মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ

আপলোড সময় : ০৪:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ধর্মদহ এলাকা থেকে ৬০ বছর বয়সী চা বিক্রেতা সামিরুল শাহের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার শরীর ও মুখে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা হত্যাকাণ্ডের সম্ভাবনা নির্দেশ করছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে স্থানীয়রা ব্যাংগাড়ি-ধর্মদহ সড়কের পাশে একটি মাঠে বাঁশের মাচায় মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। তেকালা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন।

সামিরুল শাহ তেকালা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত বিশারদ শাহের ছেলে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা থেকে এই এলাকায় বসবাস করছে। নিহতের বড় ছেলে সাঈদ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তার বাবা মুন্টু নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে যান, এরপর থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে এবং হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন