ঢাকা ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদ্মায় ইলিশ আহরণ ৮২৩ মেট্রিক টন কমেছে, জেলেরা বিপাকে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:১৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • ২১৪ Time View

শরীয়তপুর সংলগ্ন পদ্মা ও মেঘনা নদীতে ইলিশের ভরা মৌসুম চললেও জেলের জালে কাঙ্ক্ষিত মাছ ধরা পড়ছে না। গত পাঁচ বছরের ব্যবধানে এই জেলায় ইলিশের আহরণ ৮২৩ মেট্রিক টন কমে গেছে।

মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, নদীতে ডুবোচর সৃষ্টি, নাব্যতা-সংকট, শিল্পবর্জ্যে পানি দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইলিশের বিচরণ কমেছে। এতে চরম লোকসানে পড়েছেন জেলার ২৫ হাজারেরও বেশি জেলে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত প্রায় ৮০ কিলোমিটার নদীপথের মধ্যে ৫০ কিলোমিটার পদ্মা এবং ৩০ কিলোমিটার মেঘনা নদীর অংশ। এসব নদীতে ৯ হাজার ৩০০টি নৌকায় প্রায় ২৫ হাজার ২০০ জন জেলে জীবিকা নির্বাহ করেন। জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান মৌসুম ধরা হলেও এবার চিত্র ভিন্ন।

মৎস্য বিভাগের পরিসংখ্যান বলছে, ২০২1 সালে জেলায় ৪ হাজার ৫২৮ মেট্রিক টন ইলিশ আহরণ করা হয়েছিল। ২০২২ সালে ৪ হাজার ৪৪৫ মেট্রিক টন, ২০২৩ সালে ৪ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন এবং ২০২৪ সালে তা কমে ৪ হাজার ১ মেট্রিক টনে দাঁড়ায়। সর্বশেষ ২০২৫ সালে উৎপাদন আরও কমে ৩ হাজার ৭০৫ মেট্রিক টনে নেমে এসেছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, শরীয়তপুর অংশের পদ্মা ও মেঘনা নদীতে বর্তমানে অন্তত ৩০টি ছোট-বড় ডুবোচর রয়েছে, যা ইলিশের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। তিনি আরও জানান, ঢাকার বিভিন্ন শিল্পকারখানার বর্জ্য নদীতে এসে পানি দূষিত করছে এবং নদীর পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে গেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফুটবল ম্যাচে পা ভাঙা খেলোয়াড়ের সুস্থতা না হওয়া পর্যন্ত ফাউল করা খেলোয়াড় নিষিদ্ধ

পদ্মায় ইলিশ আহরণ ৮২৩ মেট্রিক টন কমেছে, জেলেরা বিপাকে

আপলোড সময় : ০৪:১৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

শরীয়তপুর সংলগ্ন পদ্মা ও মেঘনা নদীতে ইলিশের ভরা মৌসুম চললেও জেলের জালে কাঙ্ক্ষিত মাছ ধরা পড়ছে না। গত পাঁচ বছরের ব্যবধানে এই জেলায় ইলিশের আহরণ ৮২৩ মেট্রিক টন কমে গেছে।

মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, নদীতে ডুবোচর সৃষ্টি, নাব্যতা-সংকট, শিল্পবর্জ্যে পানি দূষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইলিশের বিচরণ কমেছে। এতে চরম লোকসানে পড়েছেন জেলার ২৫ হাজারেরও বেশি জেলে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত প্রায় ৮০ কিলোমিটার নদীপথের মধ্যে ৫০ কিলোমিটার পদ্মা এবং ৩০ কিলোমিটার মেঘনা নদীর অংশ। এসব নদীতে ৯ হাজার ৩০০টি নৌকায় প্রায় ২৫ হাজার ২০০ জন জেলে জীবিকা নির্বাহ করেন। জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশের প্রধান মৌসুম ধরা হলেও এবার চিত্র ভিন্ন।

মৎস্য বিভাগের পরিসংখ্যান বলছে, ২০২1 সালে জেলায় ৪ হাজার ৫২৮ মেট্রিক টন ইলিশ আহরণ করা হয়েছিল। ২০২২ সালে ৪ হাজার ৪৪৫ মেট্রিক টন, ২০২৩ সালে ৪ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন এবং ২০২৪ সালে তা কমে ৪ হাজার ১ মেট্রিক টনে দাঁড়ায়। সর্বশেষ ২০২৫ সালে উৎপাদন আরও কমে ৩ হাজার ৭০৫ মেট্রিক টনে নেমে এসেছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, শরীয়তপুর অংশের পদ্মা ও মেঘনা নদীতে বর্তমানে অন্তত ৩০টি ছোট-বড় ডুবোচর রয়েছে, যা ইলিশের স্বাভাবিক চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। তিনি আরও জানান, ঢাকার বিভিন্ন শিল্পকারখানার বর্জ্য নদীতে এসে পানি দূষিত করছে এবং নদীর পানির তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে গেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন