কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের সোমনারায়ণ মৌজার হাসারপাড় বড়বাড়ী গ্রামের বড়বাড়ী মহসিনিয়া দাখিল মাদ্রাসায় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থী মাত্র একজন। অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী বৃষ্টি আক্তার একা বসে আছেন, অপেক্ষা করছেন শিক্ষকের জন্য। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।
মাদ্রাসার নথি অনুযায়ী, এখানে শিক্ষার্থী সংখ্যা ১৮৮ জন, কিন্তু শ্রেণিকক্ষে বৃষ্টির মতো অন্য কোনো শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিল না। প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত এবং এখানে ১৪ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মচারী রয়েছেন। প্রতি মাসে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা বাবদ ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৬৫৪ টাকা বরাদ্দ করা হয়।
শিক্ষার্থী বৃষ্টি আক্তার জানান, তারা মাদ্রাসায় প্রতিদিন পাঁচ-ছয়জন করে আসেন এবং ক্লাস বেশি হয় না। এর ফলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা নুর ইসলাম অভিযোগ করেন, দাখিল পরীক্ষার সময় হাফেজিয়া মাদ্রাসা থেকে লোক এনে পরীক্ষা দেওয়ানো হয়। সাবেক শিক্ষার্থী সাগর ইসলামও একই ধরনের অভিযোগ করেছেন।
মাদ্রাসার সহকারী সুপার আব্দুস সুবহান জানান, মাদ্রাসাটি তিস্তা নদীর পাশে এবং হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় হওয়ায় শিক্ষার্থী পাওয়া যায় না। মাদ্রাসা সুপার শাহ আলম বলেন, আশপাশের প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীরা মাদ্রাসায় আসে না।
রাজারহাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি দুই-একদিনের মধ্যে পরিদর্শন করবেন এবং সমস্যা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
অনলাইন ডেক্স 
























