ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সরকার মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এই নির্দেশ অনুযায়ী, যন্তর মন্তরের দেড় কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে ইন্টারনেট স্থগিত করা হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই নির্দেশ কার্যকর ছিল, তবে পরে এর মেয়াদ বাড়িয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়। মধ্য দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়া যাচ্ছিল না, যা আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করে।
মান্ডি হাউস এলাকায় এক এয়ারটেল গ্রাহকের কাছে আসা বার্তায় জানানো হয়, সরকারি নির্দেশনার কারণে সাময়িকভাবে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। এই এলাকা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দফতরের জন্য পরিচিত, তবে আন্দোলনের মূল কেন্দ্র নয়।
সরকারি নির্দেশের ফলে ডিজিটাল পেমেন্ট, যোগাযোগ এবং অন্যান্য অনলাইন সেবা ব্যাহত হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে সমস্যা সৃষ্টি করছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ইন্টারনেট বন্ধের কারণে মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
এলাকার দোকানদাররা অভিযোগ করেছেন যে ইন্টারনেট না থাকায় তারা ডিজিটাল পেমেন্ট নিতে পারছেন না। গত ২০ জুলাই শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের সময়ও একইভাবে মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখা হয়েছিল।
ডিজিটাল অধিকার সংস্থা ইন্টারনেট ফ্রিডম ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ইন্টারনেট সেবা বন্ধের নির্দেশের বিষয়ে জনসম্মুখে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, যা জবাবদিহিহীনতার ইঙ্গিত দেয়। ২০২০ সালের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, টেলিযোগাযোগ সেবা বন্ধের নির্দেশ অবশ্যই লিখিত কারণসহ প্রকাশ করতে হবে।
অনলাইন ডেক্স 
























