ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বোয়ালখালীতে লবণ কারখানার বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১১:০৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ২৩১ Time View

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে একটি লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম মাহমুদুল হক (৪০), যিনি পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের গোরনখাইন এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি মারা যান। এ নিয়ে এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা পাঁচজনে দাঁড়াল।

ঘটনাটি ঘটে গত ১৬ জুলাই সকাল ১০টার দিকে বোয়ালখালী পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকায় অবস্থিত 'কনফিডেন্স সল্ট কোম্পানি'র কারখানায়। অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ফলে অন্তত ১০ জন শ্রমিক আহত হন।

গুরুতর দগ্ধ ৫ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং অন্য ৩ জনকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। চমেক হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৫ জন শ্রমিকের মধ্যে কেউই বেঁচে ফিরতে পারেননি।

চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, মাহমুদুল হকের শরীরের ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ মারাত্মকভাবে পুড়ে গিয়েছিল। আইসিইউতে এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মারা যান।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগ হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বোয়ালখালীতে লবণ কারখানার বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচ

আপলোড সময় : ১১:০৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে একটি লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত শ্রমিকের নাম মাহমুদুল হক (৪০), যিনি পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের গোরনখাইন এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তিনি মারা যান। এ নিয়ে এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা পাঁচজনে দাঁড়াল।

ঘটনাটি ঘটে গত ১৬ জুলাই সকাল ১০টার দিকে বোয়ালখালী পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকায় অবস্থিত 'কনফিডেন্স সল্ট কোম্পানি'র কারখানায়। অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ফলে অন্তত ১০ জন শ্রমিক আহত হন।

গুরুতর দগ্ধ ৫ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং অন্য ৩ জনকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। চমেক হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৫ জন শ্রমিকের মধ্যে কেউই বেঁচে ফিরতে পারেননি।

চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, মাহমুদুল হকের শরীরের ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ মারাত্মকভাবে পুড়ে গিয়েছিল। আইসিইউতে এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মারা যান।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন