ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাপানে ‘ভূতের বাড়ি’তে এক রাত কাটালে মিলবে ৬৬ হাজার টাকা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:২০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ২০৩ Time View

জাপানের আবাসন খাতে ‘জিকো বুক্কেন’ নামে পরিচিত অতীতে অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ঘটানো বাড়িগুলোতে এক রাত কাটানোর জন্য সাহসী ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এই কাজে অংশগ্রহণকারীরা পাচ্ছেন ৮৮ হাজার ইয়েন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬৬ হাজার টাকার সমান।

বাড়ির মালিকেরা আশা করছেন, এই পদ্ধতির মাধ্যমে প্রমাণ করা যাবে যে এসব বাড়িতে কোনো অতিপ্রাকৃত ঘটনা ঘটে না। এতে সম্ভাব্য ক্রেতা ও ভাড়াটিয়াদের ভীতি কমবে এবং দীর্ঘদিন খালি থাকা এসব বাড়ি বিক্রি বা ভাড়া দেওয়া সহজ হবে।

জাপানে ‘জিকো বুক্কেন’ হিসেবে পরিচিত এসব বাড়িতে সাধারণত অতীতে হত্যা, আত্মহত্যা, অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু বা একাকী মৃত্যুর মতো ঘটনা ঘটে থাকে। জাপানের আইন অনুযায়ী, আবাসন এজেন্টদের জন্য ক্রেতা বা ভাড়াটেদের কাছে বাড়ির অতীত ইতিহাস প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক।

বাড়ির মালিক ও আবাসন ব্যবসায়ীরা এই লোকসান কাটাতে অভিনব উপায় খুঁজে বের করেছেন। যারা রাত কাটাতে আসবেন, তাদের সারারাত ক্যামেরা ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নিয়ে বাড়িটি পর্যবেক্ষণ করতে হবে। রাত শেষে যদি কোনো অস্বাভাবিক কিছু না ঘটে, তবে তারা বাড়িটিকে ‘ভূতমুক্ত’ বলে একটি সার্টিফিকেট দেবেন।

জাপানে এই সেবার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে, বিশেষ করে খালি বাড়ির সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জন্মহার কমে যাওয়া এবং শহরমুখী জনসংখ্যার কারণে লাখ লাখ বাড়ি দীর্ঘদিন ধরে খালি পড়ে আছে। এই নতুন পেশার মূল লক্ষ্য মানুষের মনে থাকা ভৌতিক বাড়ি নিয়ে ভীতি দূর করা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মেসির নতুন রেকর্ড: তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনালে শুরুর একাদশে

জাপানে ‘ভূতের বাড়ি’তে এক রাত কাটালে মিলবে ৬৬ হাজার টাকা

আপলোড সময় : ০১:২০:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

জাপানের আবাসন খাতে ‘জিকো বুক্কেন’ নামে পরিচিত অতীতে অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ঘটানো বাড়িগুলোতে এক রাত কাটানোর জন্য সাহসী ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এই কাজে অংশগ্রহণকারীরা পাচ্ছেন ৮৮ হাজার ইয়েন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬৬ হাজার টাকার সমান।

বাড়ির মালিকেরা আশা করছেন, এই পদ্ধতির মাধ্যমে প্রমাণ করা যাবে যে এসব বাড়িতে কোনো অতিপ্রাকৃত ঘটনা ঘটে না। এতে সম্ভাব্য ক্রেতা ও ভাড়াটিয়াদের ভীতি কমবে এবং দীর্ঘদিন খালি থাকা এসব বাড়ি বিক্রি বা ভাড়া দেওয়া সহজ হবে।

জাপানে ‘জিকো বুক্কেন’ হিসেবে পরিচিত এসব বাড়িতে সাধারণত অতীতে হত্যা, আত্মহত্যা, অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু বা একাকী মৃত্যুর মতো ঘটনা ঘটে থাকে। জাপানের আইন অনুযায়ী, আবাসন এজেন্টদের জন্য ক্রেতা বা ভাড়াটেদের কাছে বাড়ির অতীত ইতিহাস প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক।

বাড়ির মালিক ও আবাসন ব্যবসায়ীরা এই লোকসান কাটাতে অভিনব উপায় খুঁজে বের করেছেন। যারা রাত কাটাতে আসবেন, তাদের সারারাত ক্যামেরা ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নিয়ে বাড়িটি পর্যবেক্ষণ করতে হবে। রাত শেষে যদি কোনো অস্বাভাবিক কিছু না ঘটে, তবে তারা বাড়িটিকে ‘ভূতমুক্ত’ বলে একটি সার্টিফিকেট দেবেন।

জাপানে এই সেবার চাহিদা দ্রুত বাড়ছে, বিশেষ করে খালি বাড়ির সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জন্মহার কমে যাওয়া এবং শহরমুখী জনসংখ্যার কারণে লাখ লাখ বাড়ি দীর্ঘদিন ধরে খালি পড়ে আছে। এই নতুন পেশার মূল লক্ষ্য মানুষের মনে থাকা ভৌতিক বাড়ি নিয়ে ভীতি দূর করা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন