ঢাকা ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুয়েতে মার্কিন সামরিক রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি ইরানের

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ২০৩ Time View

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং ইরানের সেনাবাহিনী একটি সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল কুয়েতের আলী আল সালেম বিমান ঘাঁটি। তেহরানের দাবি, সেখানে মোতায়েন করা মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি সি-র‍্যাম আর্লি ওয়ার্নিং রাডার ব্যবস্থা সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।

ইরান জানায়, রাডার ব্যবস্থার পাশাপাশি ড্রোনের সাহায্যে বিমান ঘাঁটির প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন হ্যাঙ্গার এবং জ্বালানি সংরক্ষণাগারগুলোতেও আঘাত হানা হয়েছে। কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান, জর্ডান এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক সহায়তা কেন্দ্রগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

তেহরান এই সামরিক পদক্ষেপকে আত্মরক্ষার অধিকার হিসেবে অভিহিত করেছে এবং দাবি করেছে যে, মার্কিন বাহিনীর বিমান হামলার জবাবে এই হামলা পরিচালনা করা হয়েছে।

হামলার পর কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং একটি পানি শোধন কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় সেখানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম মার্কিন ড্রোন হ্যাঙ্গার ও রাডার অবকাঠামো ধ্বংসের প্রমাণ হিসেবে স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশ করেছে, তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে এগিয়ে দেওয়া মানবতার ওপর আঘাত: রিজভী

কুয়েতে মার্কিন সামরিক রাডার ব্যবস্থা ধ্বংসের দাবি ইরানের

আপলোড সময় : ১২:০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইসলামি রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং ইরানের সেনাবাহিনী একটি সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল কুয়েতের আলী আল সালেম বিমান ঘাঁটি। তেহরানের দাবি, সেখানে মোতায়েন করা মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি সি-র‍্যাম আর্লি ওয়ার্নিং রাডার ব্যবস্থা সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।

ইরান জানায়, রাডার ব্যবস্থার পাশাপাশি ড্রোনের সাহায্যে বিমান ঘাঁটির প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন হ্যাঙ্গার এবং জ্বালানি সংরক্ষণাগারগুলোতেও আঘাত হানা হয়েছে। কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান, জর্ডান এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক সহায়তা কেন্দ্রগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

তেহরান এই সামরিক পদক্ষেপকে আত্মরক্ষার অধিকার হিসেবে অভিহিত করেছে এবং দাবি করেছে যে, মার্কিন বাহিনীর বিমান হামলার জবাবে এই হামলা পরিচালনা করা হয়েছে।

হামলার পর কুয়েত কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং একটি পানি শোধন কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানায় সেখানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম মার্কিন ড্রোন হ্যাঙ্গার ও রাডার অবকাঠামো ধ্বংসের প্রমাণ হিসেবে স্যাটেলাইট চিত্র প্রকাশ করেছে, তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন