ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শিক্ষা প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:১০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ২০৪ Time View

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় শতভাগ অকৃতকার্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে শিক্ষা প্রশাসন। এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে শোকজ, পাঠদানের স্বীকৃতি বাতিল এবং এমপিও বন্ধের মতো শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ হয়েছে। একই সঙ্গে গত পাঁচ বছরের ফলাফল পর্যালোচনা করে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের পাশাপাশি শিক্ষকদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছরের তুলনায় এ সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন শূন্য পাস করা ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৪২টি, যা ২০২৪ সালে বেড়ে ৬৫টিতে দাঁড়ায়। ২০২৫ সালে এক লাফে এ সংখ্যা ২০২টিতে পৌঁছায়। সর্বশেষ ২০২৬ সালে ১৮১টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের, ৫৫টি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের এবং ৫৭টি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, গত পাঁচ বছরের মধ্যে কোনো প্রতিষ্ঠানে একবার শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হলে শোকজ করা হবে। একই সময়ে দুবার এমন ফল হলে পাঠদানের স্বীকৃতি বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনবার এমন ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও বন্ধের সুপারিশ করা হবে।

জাতীয় পর্যায়ের এই পরিস্থিতির মধ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২৫টি প্রতিষ্ঠানও শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ১০২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

২৪ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা শুরু: স্পিকার

শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শিক্ষা প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থা

আপলোড সময় : ০১:১০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় শতভাগ অকৃতকার্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে শিক্ষা প্রশাসন। এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে শোকজ, পাঠদানের স্বীকৃতি বাতিল এবং এমপিও বন্ধের মতো শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ হয়েছে। একই সঙ্গে গত পাঁচ বছরের ফলাফল পর্যালোচনা করে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের পাশাপাশি শিক্ষকদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। গত বছরের তুলনায় এ সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন শূন্য পাস করা ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৪২টি, যা ২০২৪ সালে বেড়ে ৬৫টিতে দাঁড়ায়। ২০২৫ সালে এক লাফে এ সংখ্যা ২০২টিতে পৌঁছায়। সর্বশেষ ২০২৬ সালে ১৮১টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের, ৫৫টি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের এবং ৫৭টি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, গত পাঁচ বছরের মধ্যে কোনো প্রতিষ্ঠানে একবার শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হলে শোকজ করা হবে। একই সময়ে দুবার এমন ফল হলে পাঠদানের স্বীকৃতি বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনবার এমন ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের এমপিও বন্ধের সুপারিশ করা হবে।

জাতীয় পর্যায়ের এই পরিস্থিতির মধ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২৫টি প্রতিষ্ঠানও শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ১০২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও একজনও উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন