মেয়ের বিয়ের বিষয়টি প্রতিটি অভিভাবকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তারা চান, জামাতা যেন দ্বীনদার, সৎ এবং দায়িত্বশীল হন। বিয়ের মাধ্যমে নতুন একটি পারিবারিক জীবন শুরু হয়, যা উভয় পক্ষের দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের সঙ্গে সম্পর্কিত।
কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, পাত্রের উপার্জন সুদ বা অবৈধ আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে জড়িত। এ অবস্থায় অভিভাবকদের মনে সংশয় জাগে—সুদে জড়িত ব্যক্তির কাছে মেয়েকে বিয়ে দেওয়া শরিয়তসম্মত কি না। ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিষয়টি বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।
ইসলামে সুদকে মারাত্মক কবিরা গুনাহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা কুরআনে ঘোষণা করেছেন যে, ব্যবসা হালাল এবং সুদ হারাম। সুদের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ের বৈধতা নিয়ে ইসলামী আইনশাস্ত্র অনুযায়ী, সুদে জড়িত থাকা সত্ত্বেও বিয়ের আকদ বাতিল হয় না। তবে, যদি কেউ জেনেবুঝে হারাম লেনদেনে লিপ্ত থাকে, তবে তা তার দ্বীনদারির ঘাটতি নির্দেশ করে।
অভিভাবকদের উচিত পাত্রের পেশাগত স্বচ্ছতার বিষয়ে সতর্ক থাকা। যদি পাত্র সুদ নিষিদ্ধ হওয়ার বিধান জানার পরও তা বর্জন করতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে তাকে প্রত্যাখ্যান করা উচিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, পাত্রের দ্বীনদারি ও চরিত্রের মূল্যায়ন করা উচিত, বৈষয়িক প্রাচুর্যের চেয়ে।
সুতরাং, মেয়ের বিয়ের ক্ষেত্রে সুদে জড়িত পাত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় অভিভাবকদের সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। সুদে লিপ্ত ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ের সিদ্ধান্ত আইনগতভাবে বাতিল না হলেও, এটি সতর্কতামূলক ও কল্যাণকর সিদ্ধান্ত হতে পারে।
অনলাইন ডেক্স 
























