পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় মো. আরাফাত খান এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় একমাত্র জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। তার বাবা দীর্ঘদিন রোগে ভুগে মারা যাওয়ার পর পরিবারের আর্থিক সংকটের কারণে পড়ালেখা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল।
বড় বোন মোসা. রুবি আক্তার পরিবারের খরচ চালানোর পাশাপাশি ছোট ভাইয়ের পড়ালেখা অব্যাহত রাখতে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। পোশাক কারখানায় কাজ করে তিনি আরাফাতের পড়ালেখার দায়িত্ব নিয়েছেন।
আরাফাত বলেন, বাবাকে হারানোর পর তার জীবন অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। তবে বড় বোনের সাহস ও সহযোগিতা তাকে আবার পড়ার টেবিলে ফিরিয়ে এনেছে। তিনি রুবির আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘এই ঋণ কোনো দিন শোধ করতে পারব না।’
আরাফাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের স্বপ্ন দেখছেন, তবে পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা তার জন্য একটি বড় বাধা। তিনি সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
বড় বোন রুবি আক্তার জানান, বাবার মৃত্যুর পর সংসারের দায়িত্ব তার কাঁধে এসে পড়ে। তিনি বলেন, ‘আরাফাত মেধাবী। তার জন্য তেমন কিছুই করতে পারিনি, তবে তার প্রবল ইচ্ছাশক্তিই তাকে সাফল্য এনে দিয়েছে।’
আরাফাতের এই সাফল্য এখন পুরো পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়েছে এবং তার সামনে নতুন স্বপ্নের দ্বার উন্মোচিত করেছে।
অনলাইন ডেক্স 
























