ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্ম-বর্ণ নিয়ে ভেদাভেদ না করার আহ্বান মঈন খানের

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:১৫:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৪ Time View

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, বাংলাদেশে জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নিয়ে ভেদাভেদ না করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর গ্রামে রায় বাহাদুর দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপির সমর্থকরা ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ওপর গুরুত্ব দেয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশের মানুষ একে অপরের আনন্দ ও দুঃখ ভাগাভাগি করে সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।

এছাড়া, তিনি কুমুদিনী হাসপাতাল ও কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের প্রশংসা করেন এবং বলেন, এখানে সারা বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করার সুযোগ পায়, যা মানুষের কল্যাণে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

মন্ত্রী ও তাঁর সফর সঙ্গীরা কুমুদিনী কমপ্লেক্সে পৌঁছে বজরা নৌকাযোগে লৌহজং নদী পার হয়ে পূজা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এসময় কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

পরে তারা রণদা নাট মন্দিরে আয়োজিত গান ও আরতি অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানান মন্ত্রী ও এমপি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে প্রবাসী দম্পতিকে জিম্মি করে মারধর, কৃষকদল নেতা আটক

ধর্ম-বর্ণ নিয়ে ভেদাভেদ না করার আহ্বান মঈন খানের

আপলোড সময় : ১২:১৫:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, বাংলাদেশে জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নিয়ে ভেদাভেদ না করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর গ্রামে রায় বাহাদুর দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপির সমর্থকরা ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী আদর্শ অনুসরণ করে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ওপর গুরুত্ব দেয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশের মানুষ একে অপরের আনন্দ ও দুঃখ ভাগাভাগি করে সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।

এছাড়া, তিনি কুমুদিনী হাসপাতাল ও কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের প্রশংসা করেন এবং বলেন, এখানে সারা বাংলাদেশ থেকে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করার সুযোগ পায়, যা মানুষের কল্যাণে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

মন্ত্রী ও তাঁর সফর সঙ্গীরা কুমুদিনী কমপ্লেক্সে পৌঁছে বজরা নৌকাযোগে লৌহজং নদী পার হয়ে পূজা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এসময় কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

পরে তারা রণদা নাট মন্দিরে আয়োজিত গান ও আরতি অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানান মন্ত্রী ও এমপি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন