চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ৪.৫ শতাংশে পৌঁছেছে, যা পূর্বানুমানের চেয়ে বেশি। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন যে, বাইরের খাতের ওপর নির্ভরতা দেশটির অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত সমস্যাগুলোকে আরও গভীর করছে।
খুচরা বিক্রি শিল্প উৎপাদনের তুলনায় পিছিয়ে পড়েছে এবং আবাসন খাত মন্দার মধ্যে রয়েছে, যা গত পাঁচ বছরে পরিবারগুলোর সম্পদ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করেছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ভোক্তা মূল্যস্ফীতি মৃদু হলেও রপ্তানি এক-তৃতীয়াংশের বেশি বেড়েছে।
দুর্বল অভ্যন্তরীণ চাহিদার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠান রপ্তানি বাজারে মনোযোগ দিতে বাধ্য হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, জং চাওয়ের মোটরসাইকেল হেডলাইট তৈরির প্রতিষ্ঠানটি চীনে বিক্রি প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কার্যক্রম পরিচালনাকারী জং বলেন, “এখানে প্রতিযোগিতা অতিরিক্ত এবং কোনো মুনাফা নেই।”
ভোক্তাদের দুর্বল চাহিদা মূল্যযুদ্ধকে উসকে দিয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর্মী ছাঁটাইসহ অন্যান্য খরচ কমাতে বাধ্য করছে। এক ভোক্তা জানান, তিনি জাতীয় ছুটির সময় হোটেলের খরচ বাঁচাতে নিজের গাড়িতে রাত কাটিয়েছেন।
চীনের এই একপেশে প্রবৃদ্ধি বিশ্বের অন্যান্য দেশের ওপরও প্রভাব ফেলছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং চীন হাইব্রিড গাড়ি রপ্তানি সীমিত করতে একমত হয়েছে, তবে ব্রাসেলস আরও বিধিনিষেধের পরিকল্পনা করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, চলতি বছরের প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যান ভবিষ্যতের জন্য উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি তৈরি করছে।
অনলাইন ডেক্স 




















