ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খরায় নদীর পানি কমে বিপাকে পাম তেলচাষিরা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:৫৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৪ Time View

ইন্দোনেশিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী খরার কারণে নদীর পানি কমে যাওয়ায় পাম তেল পরিবহনে বিঘ্ন ঘটছে। এতে কারখানাগুলো উৎপাদিত তেল সরবরাহ করতে পারছে না। মজুত ট্যাংক ভরে যাওয়ায় অনেক কারখানা পাম ফল কেনা কমিয়ে দিয়েছে, ফলে হাজারো ক্ষুদ্র চাষি তাদের উৎপাদিত ফল বিক্রি করতে না পেরে লোকসানে পড়েছেন।

পশ্চিম কালিমান্তান প্রদেশের ৩৩ বছর বয়সী চাষি সুপেন্দি অক্টোবরের শুরুতে সাত টন পাম ফল নিয়ে সাঙ্গাউ শহরের একটি কারখানায় যান। চার দিন অপেক্ষা করেও ফল বিক্রি করতে পারেননি তিনি। কারখানাটিতে জায়গা না থাকায় তাকে ফল নিয়ে ফিরে যেতে বলা হয়।

সুপেন্দি জানান, কারখানা তার ফল নেয়নি। তার মতো হাজারো ক্ষুদ্র চাষি বিক্রি করতে না পারায় ফল পচে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছেন। এল নিনোর প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র গরম ও খরা দেখা দিয়েছে, যার ফলে ইন্দোনেশিয়ার নদী ও কূপের পানি কমে গেছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এল নিনোর কারণে পরিবহনব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও অঞ্চলে বছরের শেষ প্রান্তিকে পাম তেলের উৎপাদন ১২-১৫ শতাংশ কমতে পারে। পশ্চিম কালিমান্তানের ৫০টি পাম তেল কারখানার মধ্যে ১৩টি পরিবহন সমস্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সুপেন্দিকে ফিরিয়ে দেওয়া কারখানাটির ব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, জুলাইয়ে তাদের কারখানায় ৩০ হাজার টন পাম ফল প্রক্রিয়াজাত করা হলেও সেপ্টেম্বরে তা কমে ১০ হাজার টনে দাঁড়ায়। ফল বিক্রি করতে না পারায় চাষিরা পামগাছের পরিচর্যার খরচও কমাতে বাধ্য হচ্ছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিকরগাছায় নসিমন চাপায় ভাই-বোনের মৃত্যু, আহত ৪

খরায় নদীর পানি কমে বিপাকে পাম তেলচাষিরা

আপলোড সময় : ০২:৫৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী খরার কারণে নদীর পানি কমে যাওয়ায় পাম তেল পরিবহনে বিঘ্ন ঘটছে। এতে কারখানাগুলো উৎপাদিত তেল সরবরাহ করতে পারছে না। মজুত ট্যাংক ভরে যাওয়ায় অনেক কারখানা পাম ফল কেনা কমিয়ে দিয়েছে, ফলে হাজারো ক্ষুদ্র চাষি তাদের উৎপাদিত ফল বিক্রি করতে না পেরে লোকসানে পড়েছেন।

পশ্চিম কালিমান্তান প্রদেশের ৩৩ বছর বয়সী চাষি সুপেন্দি অক্টোবরের শুরুতে সাত টন পাম ফল নিয়ে সাঙ্গাউ শহরের একটি কারখানায় যান। চার দিন অপেক্ষা করেও ফল বিক্রি করতে পারেননি তিনি। কারখানাটিতে জায়গা না থাকায় তাকে ফল নিয়ে ফিরে যেতে বলা হয়।

সুপেন্দি জানান, কারখানা তার ফল নেয়নি। তার মতো হাজারো ক্ষুদ্র চাষি বিক্রি করতে না পারায় ফল পচে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছেন। এল নিনোর প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র গরম ও খরা দেখা দিয়েছে, যার ফলে ইন্দোনেশিয়ার নদী ও কূপের পানি কমে গেছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, এল নিনোর কারণে পরিবহনব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ার বোর্নিও অঞ্চলে বছরের শেষ প্রান্তিকে পাম তেলের উৎপাদন ১২-১৫ শতাংশ কমতে পারে। পশ্চিম কালিমান্তানের ৫০টি পাম তেল কারখানার মধ্যে ১৩টি পরিবহন সমস্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সুপেন্দিকে ফিরিয়ে দেওয়া কারখানাটির ব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, জুলাইয়ে তাদের কারখানায় ৩০ হাজার টন পাম ফল প্রক্রিয়াজাত করা হলেও সেপ্টেম্বরে তা কমে ১০ হাজার টনে দাঁড়ায়। ফল বিক্রি করতে না পারায় চাষিরা পামগাছের পরিচর্যার খরচও কমাতে বাধ্য হচ্ছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন