ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারের রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: কর্মীদের দায়িত্ব পালনে প্রশ্ন উঠেছে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:০০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৪ Time View

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্ট্রো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রিসোর্টকর্মীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে রান্নাঘরের গ্যাসের চুলায় চা বসিয়ে ঘুমিয়ে পড়া এক কর্মীর কারণে আগুনের সূত্রপাত ঘটে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আগুন ছড়িয়ে পড়ার সময় কয়েকজন কর্মী মালিকের পোষা দুটি কুকুর ও চারটি বিড়াল নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন, কিন্তু তখনো কয়েকজন পর্যটক কক্ষে আটকা ছিলেন। অভিযোগ উঠেছে যে, কর্মীরা পর্যটকদের উদ্ধারে কোনো উদ্যোগ নেননি। এ ঘটনায় ১০ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং একই পরিবারের চার সদস্যের সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তারের তত্ত্বাবধানে উদ্ধারকাজ চলছে। ঘটনার পর রিসোর্টের ১৯ জন কর্মী বাইরে বেরিয়ে আসেন, কিন্তু তাঁদের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শী শাহ আলম জানিয়েছেন, তিনি বিস্ফোরণের শব্দে ঘুম ভেঙে বাইরে এসে দেখেন কর্মীরা পোষা প্রাণীদের বাঁচাতে ছোটাছুটি করছেন।

রিসোর্টের মালিক তানভীর সুলতান মিয়াকে এক নম্বর আসামি করে ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার বাদী পুলিশ। তদন্তে দেখা হবে, রিসোর্টের নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না এবং কর্মীদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা ছিল কি না।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণহানির পাশাপাশি নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি খুঁজে বের করা জরুরি। আগুন লাগার মুহূর্তে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে তদন্তের মাধ্যমে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হানি সিংকে দুই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে মহারাষ্ট্র সাইবার পুলিশ

কক্সবাজারের রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: কর্মীদের দায়িত্ব পালনে প্রশ্ন উঠেছে

আপলোড সময় : ০৪:০০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্ট্রো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রিসোর্টকর্মীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে রান্নাঘরের গ্যাসের চুলায় চা বসিয়ে ঘুমিয়ে পড়া এক কর্মীর কারণে আগুনের সূত্রপাত ঘটে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আগুন ছড়িয়ে পড়ার সময় কয়েকজন কর্মী মালিকের পোষা দুটি কুকুর ও চারটি বিড়াল নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন, কিন্তু তখনো কয়েকজন পর্যটক কক্ষে আটকা ছিলেন। অভিযোগ উঠেছে যে, কর্মীরা পর্যটকদের উদ্ধারে কোনো উদ্যোগ নেননি। এ ঘটনায় ১০ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং একই পরিবারের চার সদস্যের সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তারের তত্ত্বাবধানে উদ্ধারকাজ চলছে। ঘটনার পর রিসোর্টের ১৯ জন কর্মী বাইরে বেরিয়ে আসেন, কিন্তু তাঁদের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শী শাহ আলম জানিয়েছেন, তিনি বিস্ফোরণের শব্দে ঘুম ভেঙে বাইরে এসে দেখেন কর্মীরা পোষা প্রাণীদের বাঁচাতে ছোটাছুটি করছেন।

রিসোর্টের মালিক তানভীর সুলতান মিয়াকে এক নম্বর আসামি করে ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার বাদী পুলিশ। তদন্তে দেখা হবে, রিসোর্টের নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না এবং কর্মীদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা ছিল কি না।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রাণহানির পাশাপাশি নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি খুঁজে বের করা জরুরি। আগুন লাগার মুহূর্তে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে তদন্তের মাধ্যমে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন