ঢাকা ০১:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইয়ুব বাচ্চুর স্বপ্নের কনসার্টের আগেই বিদায়

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:২৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৪ Time View

আইয়ুব বাচ্চু, বাংলা রক সংগীতের কিংবদন্তি, ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ১৫ লক্ষ দর্শকের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে স্বপ্নের কনসার্ট করার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। কনসার্টে তাঁর সঙ্গে থাকবেন দেশ-বিদেশের শিল্পীরা, যার মধ্যে আমেরিকান গায়ক স্টিভ ভাই ও ব্রিটিশ ড্রামার আয়েন পেজ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন আইয়ুব বাচ্চু। তিনি ছিলেন সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে বেড়ে ওঠা সবার বড় সন্তান। সংগীতকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত প্রথমে পরিবারের সদস্যদের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।

আইয়ুব বাচ্চু ১৯৭৬ সালে বন্ধুর কাছ থেকে গিটার ধার নিয়ে বাজানো শুরু করেন। ১৯৮৩ সালে পরিবারের অমতে ঢাকায় আসেন এবং এলিফ্যান্ট রোডের একটি হোটেলে থাকতেন। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি বাংলা ব্যান্ডজগতের একজন প্রভাবশালী শিল্পী হয়ে ওঠেন।

তিনি এলআরবি ব্যান্ডের দলনেতা ছিলেন এবং একাধারে গায়ক, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। আইয়ুব বাচ্চু তরুণদের সংগীতের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে চেয়েছিলেন এবং একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখতেন, যেখানে তরুণরা বাদ্যযন্ত্র বাজানো শিখবে।

আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যু হলেও তাঁর সুরের উত্তরাধিকার আজও জীবিত। তিনি মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন এবং তাঁর গিটারের ঝংকার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বয়ে যাবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হানি সিংকে দুই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে মহারাষ্ট্র সাইবার পুলিশ

আইয়ুব বাচ্চুর স্বপ্নের কনসার্টের আগেই বিদায়

আপলোড সময় : ০৩:২৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

আইয়ুব বাচ্চু, বাংলা রক সংগীতের কিংবদন্তি, ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ১৫ লক্ষ দর্শকের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে স্বপ্নের কনসার্ট করার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। কনসার্টে তাঁর সঙ্গে থাকবেন দেশ-বিদেশের শিল্পীরা, যার মধ্যে আমেরিকান গায়ক স্টিভ ভাই ও ব্রিটিশ ড্রামার আয়েন পেজ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন আইয়ুব বাচ্চু। তিনি ছিলেন সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে বেড়ে ওঠা সবার বড় সন্তান। সংগীতকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত প্রথমে পরিবারের সদস্যদের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি।

আইয়ুব বাচ্চু ১৯৭৬ সালে বন্ধুর কাছ থেকে গিটার ধার নিয়ে বাজানো শুরু করেন। ১৯৮৩ সালে পরিবারের অমতে ঢাকায় আসেন এবং এলিফ্যান্ট রোডের একটি হোটেলে থাকতেন। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি বাংলা ব্যান্ডজগতের একজন প্রভাবশালী শিল্পী হয়ে ওঠেন।

তিনি এলআরবি ব্যান্ডের দলনেতা ছিলেন এবং একাধারে গায়ক, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। আইয়ুব বাচ্চু তরুণদের সংগীতের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে চেয়েছিলেন এবং একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখতেন, যেখানে তরুণরা বাদ্যযন্ত্র বাজানো শিখবে।

আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যু হলেও তাঁর সুরের উত্তরাধিকার আজও জীবিত। তিনি মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে আছেন এবং তাঁর গিটারের ঝংকার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বয়ে যাবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন