নন্দিনীর বিয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রামের পর তার মায়ের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। নন্দিনী, যিনি ছয় বছর বয়সে বাবাকে হারান, তার মা লিপি রানি দীর্ঘ সময় ধরে তাকে বড় করেছেন। বিয়ের আগে নন্দিনীর বিয়ে পাঁচ-ছয়বার ভেঙে যায় অর্থাভাবে।
সপ্তমবার বিয়ের দিনক্ষণ নির্ধারণে অর্থের অভাব ছিল। তবে সমাজকর্মী মামুন বিশ্বাসের উদ্যোগে নন্দিনীর বিয়েতে ২ লাখ ২০ হাজার ৫০০ টাকার সহযোগিতা আসে। এই অর্থের মাধ্যমে বিয়ের সকল আয়োজন সম্পন্ন হয়, যার মধ্যে ছিল বিশাল প্যান্ডেল, সাজসজ্জা এবং বরযাত্রীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা।
নন্দিনীর মা লিপি রানি বলেন, "আমার মেয়ের ছয়বার বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পরে কালবেলা থেকে একটা নিউজ করা হয়। তারপর মামুন বিশ্বাস ভাই আমার পাশে দাঁড়ান।" তিনি আরও জানান, বিয়ের পরবর্তী খরচের জন্য নগদ ৬০ হাজার টাকা তার হাতে তুলে দেওয়া হয়।
নন্দিনী তার বাবাকে হারানোর পর মায়ের সংগ্রামের কথা তুলে ধরে বলেন, "মামুন মামা আমার বিয়ে অনেক ধুমধাম করে দিচ্ছেন।" তিনি জানান, মামুন বিশ্বাসের সহায়তায় তার বিয়ের আয়োজন হয়েছে, যা তার জন্য একটি নতুন জীবন শুরু করেছে।
মামুন বিশ্বাস বলেন, "আমরা ইতিমধ্যে ১৫৬টি অসহায় মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন করেছি। নন্দিনীর বিয়ে দিয়ে ১৫৭টি পূর্ণ হলো।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নন্দিনীর মতো অন্যান্য অসহায় মেয়েদের জন্যও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হবে।
গত ৪ অক্টোবর কালবেলা মাল্টিমিডিয়ায় নন্দিনীর জীবন নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যা দেশ-বিদেশে আলোচনার জন্ম দেয়। সেই প্রতিবেদনটি দেখে নন্দিনীর পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেন মামুন বিশ্বাস।
অনলাইন ডেক্স 























