শাহেদ আহম্মেদ, যিনি সৌদি আরবের রিয়াদে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় নিহত হয়েছেন, তার স্ত্রী কাকলি বেগমের সঙ্গে ফোনে শেষ কথা হয়েছিল, 'রিয়াদে পৌঁছেছি। সেখান থেকে জেদ্দায় যেতে আরও দেড় ঘণ্টার মতো সময় লাগবে। এরপর ফোন করব।' শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে স্ত্রীর ফোনে আসে শাহেদের মৃত্যুর খবর।
শাহেদের (৩৬) বাড়ি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে। তিনি দুই সন্তানের জনক এবং দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে বসবাস করছিলেন। তার বাবা রফিকুল ইসলামও সেখানে থাকেন, এবং তার মা শাহেরা আক্তার ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে গেছেন।
শাহেদের মৃত্যুর সংবাদে তার গ্রামের মানুষ গভীর শোকে ডুবেছে। পরিবারের সদস্যরা শাহেদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও সৌদি আরবস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন।
শাহেদের ভাই মাসুম রানা জানান, তিনি গত শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হন। রিয়াদে পৌঁছানোর পর তার স্ত্রীর সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয়। এরপর থেকে শাহেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
মাদলা গ্রামের বাসিন্দা আকরাম হোসেন ও প্রতিবেশী জাহেদ আলম বলেন, শাহেদ একজন ভালো বন্ধু ছিলেন এবং তার অকাল মৃত্যুতে সবাই শোকাহত। ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুল রহমান আতিক জানান, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং নিহতের মরদেহের সর্বশেষ অবস্থা জানার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
অনলাইন ডেক্স 

























