ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসলামী ক্রেডিট কার্ড পরিচালনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:২০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৩ Time View

বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ক্রেডিট কার্ড পরিচালনার জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনায় ব্যাংকগুলোকে ইসলামী শরিয়াহর নীতিমালা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। নির্দেশনায় কার্ডের পণ্য, চুক্তি, লেনদেন, ফি-চার্জ এবং পরিচালন পদ্ধতি সব ক্ষেত্রেই শরিয়াহর নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রচলিত ক্রেডিট কার্ডের মতো সুদভিত্তিক ব্যবস্থা অনুসরণ করা যাবে না। ইসলামী ক্রেডিট কার্ডে কর্জ (সুদমুক্ত ঋণ) এবং উজরাহ (সেবা মূল্য) নীতি অনুসরণ করতে হবে। শরিয়াহসম্মত নয় এমন পণ্য বা সেবার লেনদেনেও এই কার্ড ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিশেষ করে মদ, জুয়া, তামাকসহ শরিয়াহ অনুযায়ী নিষিদ্ধ পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে ইসলামী ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন করা যাবে না। ব্যাংকগুলো গ্রাহকের মুদারাবা বা বিনিয়োগকারী গ্রাহকদের সঞ্চিত আমানতের অর্থ ব্যবহার করতে পারবে না বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নগদ টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। ইসলামী ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে নগদ অর্থ উত্তোলনের সময় নির্দিষ্ট অঙ্কের ফি নেওয়া যাবে, তবে উত্তোলিত অর্থের ওপর শতাংশের ভিত্তিতে কোনো ফি বা চার্জ আরোপ করা যাবে না।

এছাড়া, কার্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ফি বা চার্জ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে গ্রাহককে অন্তত ৩০ দিন আগে জানাতে হবে। এতে গ্রাহকদের জন্য স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। ইসলামী ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে পণ্য কেনাকাটা, নগদ অর্থ উত্তোলন কিংবা ইউটিলিটি বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে যে অর্থ দেওয়া হবে, তা হাসানা বা সুদমুক্ত ঋণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডিয়ান কবি অ্যান কারসন

ইসলামী ক্রেডিট কার্ড পরিচালনায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা

আপলোড সময় : ১২:২০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ক্রেডিট কার্ড পরিচালনার জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনায় ব্যাংকগুলোকে ইসলামী শরিয়াহর নীতিমালা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। নির্দেশনায় কার্ডের পণ্য, চুক্তি, লেনদেন, ফি-চার্জ এবং পরিচালন পদ্ধতি সব ক্ষেত্রেই শরিয়াহর নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রচলিত ক্রেডিট কার্ডের মতো সুদভিত্তিক ব্যবস্থা অনুসরণ করা যাবে না। ইসলামী ক্রেডিট কার্ডে কর্জ (সুদমুক্ত ঋণ) এবং উজরাহ (সেবা মূল্য) নীতি অনুসরণ করতে হবে। শরিয়াহসম্মত নয় এমন পণ্য বা সেবার লেনদেনেও এই কার্ড ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিশেষ করে মদ, জুয়া, তামাকসহ শরিয়াহ অনুযায়ী নিষিদ্ধ পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে ইসলামী ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন করা যাবে না। ব্যাংকগুলো গ্রাহকের মুদারাবা বা বিনিয়োগকারী গ্রাহকদের সঞ্চিত আমানতের অর্থ ব্যবহার করতে পারবে না বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নগদ টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। ইসলামী ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে নগদ অর্থ উত্তোলনের সময় নির্দিষ্ট অঙ্কের ফি নেওয়া যাবে, তবে উত্তোলিত অর্থের ওপর শতাংশের ভিত্তিতে কোনো ফি বা চার্জ আরোপ করা যাবে না।

এছাড়া, কার্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো ফি বা চার্জ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে গ্রাহককে অন্তত ৩০ দিন আগে জানাতে হবে। এতে গ্রাহকদের জন্য স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। ইসলামী ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে পণ্য কেনাকাটা, নগদ অর্থ উত্তোলন কিংবা ইউটিলিটি বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে যে অর্থ দেওয়া হবে, তা হাসানা বা সুদমুক্ত ঋণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন