ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ২৮ লাখ মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তির সম্ভাবনা: বিশ্বব্যাংক

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:৪০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০৭ Time View

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একাধিক খাদ্যভিত্তিক ভর্তুকি কর্মসূচিকে একীভূত করা এবং বিদ্যমান নগদ সহায়তা কর্মসূচির সঙ্গে আরো ভালো সমন্বয় করা গেলে অতিরিক্ত ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করা সম্ভব।

আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোকে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের কাছে আরো সুনির্দিষ্টভাবে পৌঁছাতে হবে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বর্তমানে চাপের মুখে রয়েছে। ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, জ্বালানি সংকট এবং কম রাজস্ব আদায়ের কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ২০২৬ ও ২০২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪ শতাংশে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ২০২৩ সাল থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কমছে। দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের পরিচালক জ্যঁ পেসমে বলেন, ব্যাংকিং খাত, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ ও জ্বালানি খাতে দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন। দরিদ্র জনগণের সুরক্ষা এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির জন্য এসব সংস্কার জরুরি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরে পুত্রবধূর আঘাতে বৃদ্ধার মৃত্যু, হত্যা মামলা দায়ের

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ২৮ লাখ মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তির সম্ভাবনা: বিশ্বব্যাংক

আপলোড সময় : ০২:৪০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একাধিক খাদ্যভিত্তিক ভর্তুকি কর্মসূচিকে একীভূত করা এবং বিদ্যমান নগদ সহায়তা কর্মসূচির সঙ্গে আরো ভালো সমন্বয় করা গেলে অতিরিক্ত ২৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করা সম্ভব।

আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিগুলোকে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগণের কাছে আরো সুনির্দিষ্টভাবে পৌঁছাতে হবে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বর্তমানে চাপের মুখে রয়েছে। ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, জ্বালানি সংকট এবং কম রাজস্ব আদায়ের কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ২০২৬ ও ২০২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৪ শতাংশে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ২০২৩ সাল থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কমছে। দীর্ঘদিনের কাঠামোগত দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের পরিচালক জ্যঁ পেসমে বলেন, ব্যাংকিং খাত, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ ও জ্বালানি খাতে দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন। দরিদ্র জনগণের সুরক্ষা এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির জন্য এসব সংস্কার জরুরি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন