বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৪ শতাংশে নেমে এসেছে। বেসরকারি বিনিয়োগ ও রপ্তানি কমে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’-এর অক্টোবর ২০২৬ সংস্করণে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হওয়ার ফলে দেশে দারিদ্র্য ও আয়বৈষম্য বেড়েছে।
বিশ্বব্যাংক ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা ফেরানো, জ্বালানিনিরাপত্তা ও সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি কর-রাজস্ব বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের জুন শেষে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার বেড়ে ৩৩ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছেছে।
এছাড়া, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাতীয় দারিদ্র্যের হার ২২ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। গত এক বছরে আন্তর্জাতিক দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে নতুন প্রায় ২১ লাখ মানুষ।
অর্থনীতির সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য বিশ্বব্যাংক তিনটি প্রধান ক্ষেত্রে সংস্কারের তাগিদ দিয়েছে: ব্যাংক খাত, জ্বালানি খাত এবং রাজস্ব খাত।
অনলাইন ডেক্স 
























