চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে অবৈধভাবে মজুত করা ৯১২ বস্তা সার সরকারি মূল্যে সাধারণ কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রতি বস্তা সার ১ হাজার ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে জীবননগর থানা চত্বর ও হাসাদাহ পুলিশ ক্যাম্প চত্বর থেকে সার বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়। জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখের নেতৃত্বে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। বিষয়টি তদারকি করেন জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন।
জীবননগর থানা-পুলিশ ও উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর জীবননগরের দত্তনগর সড়কের মেসার্স সান্ত্বনা এন্টারপ্রাইজে অবৈধভাবে মজুত করা ৪০০ বস্তা সরকারি ডিএপি সার জব্দ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া সুলতানা এ্যানির নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এসব সার জব্দ করা হয়।
এর পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর জীবননগরের হাসাদাহ বাজারে অভিযান চালিয়ে আরও ৫১২ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় কীটনাশক ব্যবসায়ী মেসার্স তৌফিক ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল খালেককে আটক করা হয়।
জব্দ করা ৫১২ বস্তা সারের মধ্যে ৪৫ বস্তা ইউরিয়া, ৩৫০ বস্তা ডিএপি, ৭৮ বস্তা টিএসপি ও ৩৯ বস্তা এমওপি অন্তর্ভুক্ত ছিল। আদালতের নির্দেশে জব্দকৃত মোট ৯১২ বস্তা সার কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হচ্ছে।
অনলাইন ডেক্স 
























