ঢাকা ০৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মতলব উত্তরে ১৮০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য তিন কর্মকর্তার ওপর চাপ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:১০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০২ Time View

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে জনবল সংকটের কারণে প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসন বেহাল অবস্থায় রয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মাত্র দুজন সরকারি শিক্ষা কর্মকর্তা ও একজন হিসাবরক্ষক নিয়োজিত আছেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এখানে মোট ১৮০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ হাজার ৮৩ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। তবে, ১১৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই, যা প্রশাসনিক কার্যক্রমে চাপ সৃষ্টি করছে।

শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের দাবি, দ্রুত শূন্য পদগুলোতে জনবল নিয়োগ এবং প্রধান শিক্ষক পদায়ন করা প্রয়োজন। ৯ নম্বর দক্ষিণ ব্যাসদী সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. খায়ের উদ্দিন জানান, প্রধান শিক্ষক না থাকলে বিদ্যালয়ের কার্যক্রমে সমস্যা হয়।

উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুল বাতেন বলেন, প্রধান শিক্ষক না থাকায় সহকারী শিক্ষকদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসেও জনবল সংকটের কারণে প্রশাসনিক কাজ সমন্বয়ে সমস্যা হচ্ছে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. জামাল হোসেন জনবল সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, সীমিত জনবল নিয়েই তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমা বেগম জানান, বিষয়টি তাদের নজরে আছে এবং মন্ত্রণালয়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, জনবল বৃদ্ধির জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :

সৌরভ গাঙ্গুলী আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রধান কোচ হলেন

মতলব উত্তরে ১৮০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য তিন কর্মকর্তার ওপর চাপ

আপলোড সময় : ০৩:১০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে জনবল সংকটের কারণে প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসন বেহাল অবস্থায় রয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মাত্র দুজন সরকারি শিক্ষা কর্মকর্তা ও একজন হিসাবরক্ষক নিয়োজিত আছেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এখানে মোট ১৮০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ হাজার ৮৩ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। তবে, ১১৭টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই, যা প্রশাসনিক কার্যক্রমে চাপ সৃষ্টি করছে।

শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের দাবি, দ্রুত শূন্য পদগুলোতে জনবল নিয়োগ এবং প্রধান শিক্ষক পদায়ন করা প্রয়োজন। ৯ নম্বর দক্ষিণ ব্যাসদী সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. খায়ের উদ্দিন জানান, প্রধান শিক্ষক না থাকলে বিদ্যালয়ের কার্যক্রমে সমস্যা হয়।

উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুল বাতেন বলেন, প্রধান শিক্ষক না থাকায় সহকারী শিক্ষকদের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসেও জনবল সংকটের কারণে প্রশাসনিক কাজ সমন্বয়ে সমস্যা হচ্ছে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. জামাল হোসেন জনবল সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, সীমিত জনবল নিয়েই তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন। সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাজমা বেগম জানান, বিষয়টি তাদের নজরে আছে এবং মন্ত্রণালয়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, জনবল বৃদ্ধির জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন