লাতিন আমেরিকায় চীনের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় বেশি ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। শুক্রবার প্রকাশিত ১৭টি লাতিন আমেরিকান দেশের একটি জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। জরিপটি ২০২৬ সালের লাতিনোব্যারোমেট্রো নামক প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত হয়েছে।
এই জরিপ অনুযায়ী, লাতিন আমেরিকার ৫৭ শতাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবকে ইতিবাচক মনে করেন, যা ২০২০ সালে ছিল ৬০ শতাংশ। অপরদিকে, ৬৫ শতাংশ উত্তরদাতা চীনের প্রভাবকে ইতিবাচক বলে অভিহিত করেছেন, যা ছয় বছর আগে ছিল ৪৮ শতাংশ।
জরিপে দেখা গেছে, কোস্টারিকা ও ডমিনিকান রিপাবলিক ছাড়া অন্যান্য দেশগুলোতে চীনের প্রভাবকে বেশি ইতিবাচক হিসেবে দেখা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর ওয়াশিংটনের অনুপস্থিতি লাতিন আমেরিকার দেশগুলোকে চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলতে উৎসাহিত করেছে।
লাতিনোব্যারোমেট্রোর পরিচালক মার্তা লাগোস জানিয়েছেন, চীন কম দামে পণ্য আমদানির সুযোগ করে দিয়ে লাতিন আমেরিকার মানুষের সমর্থন অর্জন করেছে। তবে, যুক্তরাষ্ট্র এখনও একটি দেশ হিসেবে চীনের তুলনায় বেশি জনপ্রিয়, যেখানে ৬৩ শতাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন।
জরিপে দেখা গেছে, আর্জেন্টিনা ছাড়া লাতিন আমেরিকার সব দেশেই বেশিরভাগ মানুষ মার্কিন বিশেষ বাহিনীর হাতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর আটক হওয়ার ঘটনাকে সমর্থন করেছেন। তবে, ৩৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন, মাদুরোকে আটক করা ভেনেজুয়েলার জন্য উপকারী হয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 
























