প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল (বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর) ফেনী সফরে যাচ্ছেন। এটি তার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম ফেনী সফর। সফরটি ঘিরে ফেনীজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন প্রত্যাশা, যেমন বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদীভাঙন রোধ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হবে।
ফেনী জেলা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পৈত্রিক জেলা। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহর থেকে গ্রামাঞ্চলে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয় নেতাকর্মীরা এই সফরকে রাজনৈতিক ও আবেগের দিক থেকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফেনী-১ আসনটি ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া নিয়ে গঠিত, যেখানে খালেদা জিয়া একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন।
ফেনীর উত্তরের তিন উপজেলা বর্ষাকালে বন্যা ও জলাবদ্ধতার সমস্যায় ভুগছে। দক্ষিণের এলাকায় নদীভাঙনের সমস্যা রয়েছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর সফরে স্থানীয়দের প্রধান প্রত্যাশা হলো বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নদীভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।
১ অক্টোবর পরশুরামে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন কাজ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয়রা একটি মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে আসছেন। ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
সফরের অংশ হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে বৃক্ষরোপণ এবং সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে। এছাড়া ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড কার্যক্রম এবং দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সহায়তা কার্যক্রমেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।
অনলাইন ডেক্স 























