ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মণিপুরে নতুন সহিংসতায় নিহত ১, আটটি গ্রামে হামলা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:৩০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০২ Time View

ভারতের মণিপুরে নতুন করে জাতিগত সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে অন্তত আটটি গ্রামে সশস্ত্র হামলার পাশাপাশি কয়েকটি বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। হামলায় বিদ্যুৎকর্মী পাওজাঙ্গাম চোংলোই (৩৬) নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোর ৪টার দিকে তামেনংলং ও কাংপোকপির সীমান্তবর্তী লসান, সংপিবুং ও টি খোলমুন গ্রামে হামলাকারীরা ভারী অস্ত্র নিয়ে গুলি চালায়। বিদ্যুৎ লাইন মেরামতের কাজে যাওয়ার সময় গুলিতে পাওজাঙ্গাম চোংলোই নিহত হন।

হামলার পর লসান গ্রামের প্রধান কাংপোকপি থানায় একটি ‘জিরো এফআইআর’ দায়ের করেন। একই সময়ে কাংপোকপি ও ননে জেলার আরও পাঁচ নাগা-অধ্যুষিত গ্রাম হামলার শিকার হয়। সশস্ত্র হামলার আতঙ্কে এসব গ্রামের বাসিন্দারা পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে আশ্রয় নেন।

কাপনিংচিং মুক্তি গ্রামে চারটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে গ্রামের সশস্ত্র স্বেচ্ছাসেবীরা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুললে তারা পিছু হটে।

মাকুই চামরিউপিউ গ্রামের কর্তৃপক্ষের দাবি, সরকারের সঙ্গে ‘সাসপেনশন অব অপারেশন’ চুক্তির আওতায় থাকা কয়েকটি সশস্ত্র সংগঠন হামলায় জড়িত। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। মণিপুরে জাতিগত সংঘাত দীর্ঘদিনের, যার ফলে হাজারো মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন এবং প্রাণহানিও ঘটেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মণিপুরে নতুন সহিংসতায় নিহত ১, আটটি গ্রামে হামলা

আপলোড সময় : ০১:৩০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের মণিপুরে নতুন করে জাতিগত সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে অন্তত আটটি গ্রামে সশস্ত্র হামলার পাশাপাশি কয়েকটি বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। হামলায় বিদ্যুৎকর্মী পাওজাঙ্গাম চোংলোই (৩৬) নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোর ৪টার দিকে তামেনংলং ও কাংপোকপির সীমান্তবর্তী লসান, সংপিবুং ও টি খোলমুন গ্রামে হামলাকারীরা ভারী অস্ত্র নিয়ে গুলি চালায়। বিদ্যুৎ লাইন মেরামতের কাজে যাওয়ার সময় গুলিতে পাওজাঙ্গাম চোংলোই নিহত হন।

হামলার পর লসান গ্রামের প্রধান কাংপোকপি থানায় একটি ‘জিরো এফআইআর’ দায়ের করেন। একই সময়ে কাংপোকপি ও ননে জেলার আরও পাঁচ নাগা-অধ্যুষিত গ্রাম হামলার শিকার হয়। সশস্ত্র হামলার আতঙ্কে এসব গ্রামের বাসিন্দারা পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে আশ্রয় নেন।

কাপনিংচিং মুক্তি গ্রামে চারটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পরে গ্রামের সশস্ত্র স্বেচ্ছাসেবীরা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুললে তারা পিছু হটে।

মাকুই চামরিউপিউ গ্রামের কর্তৃপক্ষের দাবি, সরকারের সঙ্গে ‘সাসপেনশন অব অপারেশন’ চুক্তির আওতায় থাকা কয়েকটি সশস্ত্র সংগঠন হামলায় জড়িত। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। মণিপুরে জাতিগত সংঘাত দীর্ঘদিনের, যার ফলে হাজারো মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন এবং প্রাণহানিও ঘটেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন